
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে বুল্লাবাড়ি গ্রামের আজিজুল হকের সঙ্গে গোপীনাথপুর গ্রামের রিজিক মিয়ার বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলাও হয়। আখাউড়ার কর্মমঠ এলাকার ওই জায়গা মাপজোখ করতে গত মঙ্গলবার সকালে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের লোকজন আসে। এ সময় অনেকেই আজিজুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এরই জের ধরে সাক্ষ্য দেওয়া লোকজনসহ অন্যদের ওপর হামলা হয়। বুল্লাবাড়ির মসজিদে নামাজ পড়া অবস্থায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
আহতদের মধ্যে আলী আকবর (৫০), বাছির মিয়া (৩৫), জয়দুল হোসেন (৪০), আব্দুল জলিল (৫৫), আক্তার হোসেন (৩০), আহাম্মদ আলী ভূইয়া (৪৮), সাদেক মিয়া (২৮) ও হালিমা বেগমকে (৫৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া জিয়াউল হক রিপন (২৩), জমির আলী (৫৫), তাজুল ইসলাম (৫৫), তারু মিয়া (৫৫), অন্তর মিয়া (২৫), রত্না বেগম (৪০), তাহমিনা (২০) ও জিয়াসমিন আক্তার (২৩) নামের কয়েকজন আহত হন।
পুলিশ নোয়ামুড়া গ্রামের মো. আলমগীর (৪৫), সিদ্দিক মিয়া (৩৫) ও পেরা মিয়াকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে।
গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম এ মান্নান বলেন, ‘পূর্ববিরোধের জের ধরে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় এক পক্ষের ওপর হামলা হয়। বিষয়টি খুবই নিন্দনীয়। হামলার পর উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ’
কসবা থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।