The voice of Brahmanbaria || Local news means the world is

কসবায় ১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, পাচারকারী আটক ও গাড়ি জব্দ

রুবেল আহমেদ : কসবায় অভিযান চালিয়ে ১শ ২০ কেজি গাঁজাসহ ফরিদ মিয়া (২৪) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ভোররাতে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের কালামুড়িয়া এলাকা থেকে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এসময় পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি নোহা মাইক্রোবাস জব্দ করেছে পুলিশ। আটককৃত ফরিদ মিয়া চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার একাতরী গ্রামের মৃত শহিদুল্লাহ মিয়ার ছেলে। আটককৃত ফরিদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরেই আটককৃত ফরিদ মিয়াকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

পুলিশ জানায়, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার কালামুড়িয়া এলাকায় মাদকের বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদে এস আই ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে অবস্থান নেয় কসবা থানা পুলিশ। বুধবার ভোররাত আনুমানিক ২টার দিকে কুমিল্লা অভিমুখী কালো রংগের এক্স নোহা যাহার রেজিষ্ট্রেশন নং ঢাকা-মেট্রো চ ১২-৮৮৭০ নাম্বার সম্বলিত একটি মাইক্রোবাস পুলিশের সামনে দিয়ে অতিক্রম করার সময় গতিরোধ করে পুলিশ। পরে গাড়িটি তল্লাসী চালিয়ে এর ভিতরে ৪টি বড় বস্তায় ১শ ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এসময় চালক ফরিদ মিয়াকে আটক করে গাড়িটি জব্দ করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত গাঁজা, চালক ও গাড়িটি থানায় আনা হয়। থানায় জিজ্ঞাসাবাদে কসবা উপজেলা কামালপুর এলাকার জনৈক সুমন মিয়ার কাছ থেকে এই গাজা নিয়ে গাড়িতে করে ঢাকার কেরানীগঞ্জে জনৈক রুস্তুম মিয়ার নিকট পৌছে দেয়ার কথা জানায় আটককৃত ফরিদ মিয়া। বুধবার দুপুর ১টার দিকে গাঁজা উদ্ধারের বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেন কসবা থানা পুলিশ।

কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল কাদের জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিনিয়তই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে কসবা থানা পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদে উপজেলার শেষ সীমান্ত এলাকা কালামুড়িয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানে ১শ ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং চালককেও আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ এবং গাড়িটিও জব্দ করা হয়েছে। আটককৃত ফরিদ মিয়া বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা চলমান রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে কসবা থানা পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময় তিনি মাদক নির্মুলে এলাকার সচেতন মহলের সহযোগীতা কামনা করেন।

Exit mobile version