
স্মরণসভায় শহীদ সন্তানের স্মৃতিচারণ করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এডভোকেট জাহাঙ্গীর আহমেদ খান বলেন, জোবায়ের অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। তার সন্তানের মত অনেক শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত নতুন স্বাধীনতা আমাদের রক্ষা করতে হবে। ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার আজীবন ক্ষমতায় থাকার পরিকল্পনা ছিল। আর সেজন্যই সে ছাত্র-জনতাকে নির্মমভাবে হত্যা করার আদেশ দেয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের জন্য তাকে ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে হয়েছে।
আন্দোলনে শহীদ জোবায়ের ওমরের বাড়ি কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের সৈয়দাবাদ গ্রামে। সে বাংলাদেশ প্রফেসনাল ইউনিভার্সিটির এলএলবি (অনার্স) ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলো। সে আন্দোলনরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এছাড়াও আন্দোলনে গুরুতর আহত ব্যবসায়ী কসবা উপজেলার রাইতলা গ্রামের একিন আলীর ছেলে আল আমিন তার আহত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরেন। সে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও প্রশাসনের নির্মমতার কথা বলতে বলতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
