বিজয়নগর–ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কে সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড স্থানান্তর ও বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে চলমান অসন্তোষের অবসান হয়েছে। সংসদ সদস্য প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামলের হস্তক্ষেপে শিমরাইলকান্দি প্রথম সেতু সংলগ্ন আগের স্থানেই সিএনজি স্ট্যান্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের জনপ্রতি ভাড়া ১০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সংসদ সদস্য খালেদ মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জানা গেছে, সম্প্রতি শিমরাইলকান্দি সেতু সংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ডটি অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি এ রুটে ভাড়া বাড়ানো হলে নিয়মিত যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এতে প্রতিদিন এই পথে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও অসন্তোষের পর সংসদ সদস্য খালেদ মাহবুব শ্যামল পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে জনস্বার্থ ও যাত্রীদের সুবিধার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শিমরাইলকান্দি প্রথম সেতু সংলগ্ন আগের স্থানেই সিএনজি স্ট্যান্ড রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, আগের নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় জনপ্রতি ১০ টাকা কমিয়ে যাত্রী পরিবহন করা হবে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা এ সিদ্ধান্তে সম্মতি জানান। এছাড়া স্ট্যান্ডে কেউ এসে চাঁদাবাজির চেষ্টা করলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।
স্থানীয় যাত্রীরা জানান, স্ট্যান্ডটি আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা এবং ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্তে তারা স্বস্তি পেয়েছেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর রাখা এবং সিদ্ধান্তটি নিয়মিতভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্ট্যান্ডের অবস্থান ও ভাড়ার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।
