
সকাল ৮টায় ভোটগ্রহন শুরু থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এসি একাডেমী কেন্দ্রে সকাল ১০টার দিকে সরকার দলীয় প্রার্থী শাহজাহান মিয়ার নৌকা প্রতিকের পক্ষে প্রকাশ্যে সিল মারতে গেলে সাংবাদিকরা তা ধারন করতে থাকেন।
এসময় আওয়ামীলীগ প্রার্থী শাহজাহান মিয়ার নির্দেশে তার কর্মী সমর্থকরা সাংবাদিকের উপর হামলা করেন। এ সময় আহত হয় এটিএন নিউজের পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরো প্রধান পীযূষ কান্তি আচার্য, ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, মাইটিভির ক্যামেরা পারসন হাসান জাবেদ। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে আহত সাংবাদিকদের দেখতে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্ত্রে গিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহরিয়ার আল মামুন ও সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুপক কুমার সাহা।
এটিএন নিউজের পূর্বাঞ্চলীয় ব্যুরো প্রধান পীযূষ কান্তি আচার্য সহ আহতরা জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে নৌকা প্রতিকের সমর্থকদের অনৈতিক কাজ ক্যামেরা বন্দী করার সময় শাহজাহান মিয়ার নেতৃত্বে আমাদের উপর হামলা করে তার কর্মী ও সমর্থকরা।
হামলাকারীরা সাংবাদিক পীযুষ কান্তি আচার্য ও চিত্র সাংবাদিক জাবেদকে মারধর করেন এবং সুমন ও জাবেদের ক্যামেরা ভাঙচুর করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহরিয়ার আল মামুন জানান, হামলাকারীদের মধ্যে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) সকালে স্থানীয় চুন্টা ঈদগাঁ মাঠে সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ
তিনি এসময় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়াও স্থানীয় কয়েকশ’ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে হাবিবুর রহমান বলেন, নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান মিয়া আমার কর্মী-সমর্থকদের নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। আমাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দিচ্ছেন তিনি। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমার ছোট ভাই শেখ এখলাছুর রহমানসহ কয়েকজন সমর্থককে হয়রানি করছেন। কবির মিয়া নামে এক নিরীহ লোককে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। শাহজাহান মিয়া নির্বাচনের দিন কয়েকটি ভোট কেন্দ্র দখল করবেন বলেও প্রচার করছেন।
এ অবস্থায় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন হাবিবুর রহমান।