
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান বলেন, আরিফুল হকের বিরুদ্ধে আদালতে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদনের প্রস্তুতি চলছে।
গত ২৪ এপ্রিল উপজেলার চরচারতলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পরিত্যক্ত পানির ট্যাংক থেকে কামরুন্নাহারের হাত-মুখ বাঁধা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর থেকেই তাঁর স্বামী আরিফুল হক পলাতক ছিলেন। কামরুন্নাহার তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনায় কামরুন্নাহারের বাবা মফিজুল হক বাদী হয়ে পরদিন আশুগঞ্জ থানায় আরিফুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
গত ১৭ মে কামরুন্নাহারের বাবা মফিজুল হক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘কামরুন্নাহারকে ২০১২ সালে পারিবারিকভাবে আমার আপন ভাতিজা আরিফুল হকের সঙ্গে বিয়ে দিই। তাদের সাড়ে তিন বছরের একটি মেয়ে আছে। প্রায় বছরখানেক আগে আরিফুলের মুঠোফোনে একটি আপত্তিকর ছবি নিয়ে কামরুন্নাহারের ঝগড়া হয়। পরে বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধানও করা হয়। কিন্তু ২৪ এপ্রিল সকালে আরিফুল এসে জানায়, সকাল থেকে কামরুন্নাহারকে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু টাকাও খোয়া গেছে।’
আশুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম কামরুজ্জামান জানান, ‘এক সপ্তাহ আগে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছি। বিভিন্নভাবে আরিফুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হয়। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর হত্যার আসল রহস্য বের হবে।’
পূর্বের খবর
আশুগঞ্জে পানির ট্যাংকে মিলল গৃহবধূর মরদেহ (ভিডিও)