
ওই ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়েছে পুরো চার শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এটি চালুর মধ্য দিয়ে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দেড় হাজার মেগাওয়াটের ওপরে।
সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে এপ্রিল মাসে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কম্বাইন্ড সাইকেল (নর্থ) ইউনিটের নির্মাণকাজ শুরু হয়। নিজস্ব আড়াই শ কোটি টাকাসহ এডিবি ও আইডিবির ঋণ সহায়তায় এ ইউনিটটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় প্রায় দুই হাজার ছয় শ কোটি টাকা।
আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এম এম সাজ্জাদুর রহমান জানান, ওই ইউনিট থেকে চার শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়েছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এ কেন্দ্র থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এখানে আরো একটি চার শ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।