
রাত সাড়ে ১১টায় আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামে বন্দেআলী মিয়ার বাড়ির দুু‘পক্ষের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল সহ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সন্দেহ মূলক ভাবে একজনকে আটক করলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয় ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামে গত বুধবার সন্ধ্যায় বন্দেআলী মিয়ার বাড়ীর কাইসার ও তৌফিক, তারেক এরর মধ্যে কর্তা-কাটাকাটিসহ হাতা- হাতি হয় । এবং এলাকার চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বন্দেআলী বাড়ীরর্ খানকায় আজ ২০ সেপ্টেম্বর সালিশ হওয়ার কথা ছিল। এর জের ধরে গত রবিবার রাত সাড়ে ১১টায় সময় হঠ্যাৎ করে মহার ব্যাপারী পক্ষের লোকজন ও তারা মিয়ার পক্ষের লোকজনের বাড়ি-ঘরে হামলা চালায় । এসময় গুলি বিনিময়সহ বেশ কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণ হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায় । এতে তারা মিয়ার বাড়ির বেশ কয়েক জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে ২ং ওয়ার্ডের সার্বেক মেম্বার সাচ্চু মিয়া জানান । এদিকে সংর্ঘষের ভয় পেয়ে মোঃ ফজলুল হকের ছেলে মোঃ সামছুল হক (৬৫)হৃদকিয়া ( ইস্টুক করে ) বন্ধ হয়ে মৃত্যু বর্রণ করেন । এওে আগেও দুই বার ( ইস্টুক) করেছেন বলে জানা যায় । সরেজমিনে এলাকায় রাতে গিয়ে গুলির খোসা, তাজা গুুুলিসহ ককটেল বিষ্ফোরণের আলামত দেখা গেছে ।
আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম মিয়া সংর্ঘষের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন বন্দেআলী বাড়িতে একই বংর্শেও মধ্যে যে ধরণেরর্ অন্যা-কাংক্ষিত ঘটনা ঘটেছে তার্ অত্যন্ত জঘন্য । তবে এই বিষয়টি যাতে আার না বাওে সেই জন্য আমি দুই পক্ষের সাথে কথা বলেছি । আশা করি আর সংর্ঘষের সৃষ্টি হবে না ।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, সংঘষ ঘটার পর পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয় । আইন শৃংখলা নিয়ন্তনে সব ধরনের প্রদক্ষেপ নেয়া হবে । বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্তনে রয়েছে।।