
শরিফপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি শরিফ হোসেন জানান, রাত ১০টায় শরিফপুর গ্রামের মোতালিব মার্কেটের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতি সভা শেষে আমি বাড়িতে চলে যায়। চলে গেলেও দলীয় কার্যালয়ে বেশ কিছু দলীয় নেতা-কমীরা বসা ছিল। হঠাৎ রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিএনজি অটোরিক্সা দিয়ে বেশ কয়েকজন লোক দলীয় কার্যালয়ে সামনে এসে বেশ কয়েকটি ককটেলর বিস্ফোরণ ঘটায় এবং দলীয় কার্যলয় ভাংচুর করে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এসময় ককটেল হামলায় আওয়ামীলীগের কর্মী গোলাপ মিয়া, বসির উদ্দি বসু ও রমজান মিয়া আহত হয়। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আমার মনে হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের লোকজন ১৫ আগষ্টে অনুষ্ঠানকে বানচাল করতে এ হামলা ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, বেশকয়েকদিন আগে আমার ব্যাক্তিগত অফিসে যুবদলের লোকজন হামলা চালিয়ে আমাকে আহত ও কার্যালয়ে ভাংচুর চালিয়েছিল।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মেজবাহ উদ্দিন জানান, ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে তদন্ত করেছি। এ বিষয়ে আইনআনুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে বিষয়টি পূর্ব বিরোধ কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।