
ঘটনার বিবরণ দিয়ে ড. মোহাম্মদ মোকসেদ আলী জানান, সোমবার রাতে প্রতিদিনের মত দোকান বন্ধ করে অন্য কর্মচারীদের সঙ্গে বাচ্চু মিয়া ঘুমিয়ে পড়েছিল। রাত প্রায় ১২.৪৫ মিনিটের দিকে ঘাতক চক্র এসে দোকানের দরজায় আঘাত করা শুরু করে। এক পর্যায়ে বাচ্চু দরজা খুলে তাদের উদ্দেশ্যে দোকান বন্ধ জানালে ঘাতকরা অতর্কিতভাবে কাঠের টুকরো দিয়ে বাচ্চুকে আঘাত করতে থাকে। এ সময় বাচ্চুর চিৎকারে দোকানের অন্য কর্মচারীরা এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা করে ওই চক্র। ওই দুর্বৃত্তদের হাতে মার খাওয়ার পর কর্মচারীদের একজন পালিয়ে এসে গোপনে হামলার ভিডিও ধারণ করে। তিনি জানান, শুনেছি এর আগের দিন রাতেও খুনিদের এ চক্রটি রেস্টুরেন্টে এসে বিরিয়ানি নিয়ে গেছে। যা দোকানের ভিডিও ক্যামেরায় স্পষ্ট ধরা পড়েছে। ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে সন্দেহভাজন তিন পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করেছে আবুধাবী পুলিশ। উল্লেখ্য, তিন সন্তানের জনক বাচ্চু মিয়া মোসাফফার লাকি চান্স রেস্টুরেন্টে বিগত ৮ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন।
নিজের বাড়ি ব্রাক্ষনবাড়িয়া হলেও শশুর বাড়ির সূত্রে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাড়ি করে স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান তিনি।