
কাষ্টমস পরির্দশনের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক রেজুওয়ানুর রহমান বাংলাদেশ-ভারত চলাচলকারী যাত্রীদের মালামাল পরিবহরণের জন্য ৪টি ট্রলি ও রোগীদের জন্য ২টি হুইল চেয়ার দিয়ে সহযোগীতার ঘোষনা দেন। এদিকে পরির্দশন শেষে বিভাগীয় কমিশনার মো: আব্দুল মান্নান আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানী রফতানী কারক, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও স্থলবন্দরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় কালে বিভাগীয় কমিশনার মো: আব্দুল মান্নান বলেন, আখাউড়া স্থলবন্দরকে অচিরেই আধুনিকায়ন করা হবে। নির্মান করা হবে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্ট। তিনি আরো বলেন, ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্টে নির্মান করতে অবকাঠামো নির্মানের জন্য উচ্চ পর্যায়ে কাজ চলছে। প্রশাসনিক ভবন, এয়ারকন্ডিশন ওয়্যার হাউস, ট্রাক টার্মিনাল, ইয়ার্ড, ক্যান্টিনসহ সব কিছু এই ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্টের ভেতর থাকবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে ছিলেন, আখাউড়া থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ আরিফুল আমিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক সেলিম ভুইয়া, মনির হোসেন বাবুল,আখউড়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোরাদ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পিয়ারা বেগম পিওনা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরজাহান বেগম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বারের সহ-সভাপতি সুভাস চন্দ্র, আখাউড়া সিএন্ডফে এ্যাসোসিশেন সভাপতি মোবারক হোসেন ভুইয়া, সাধারন সম্পাদক ফোরকান উদ্দিন খলিফা, আমদানী রফতানী কারক এ্যাসোসিয়েশন সভাপতি আব্দুল ওহাব, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো: সেকের মিয়া, সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মহিলা সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌসী প্রমুখ।