
এই ব্যাপারে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ভারতের অনুদানে শীঘ্রই আখাউড়া–আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। আমরা শীঘ্রই এই প্রকল্পে ভারতের অনুদান পাব। অনুদান পাওয়ার সাথে সাথেই কাজ শুরু হবে। এই প্রকল্পে বাংলাদেশ অংশে ১০ কিলোমিটার এবং ভারতের অংশে ৫ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
রেলমন্ত্রী বলেন, আখাউড়া–আগরতলা রেললাইন দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগে নতুন মাত্রা যোগ করবে। রেল যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যবসা–বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন পথ উন্মোচিত হবে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী নতুন এ রেলরুট নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেন।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া হয়ে ভারতের আগরতলার মধ্যে নতুন এ রেলরুট স্থাপন করা হবে। এরপর বিদ্যমান আগরতলা–কলকাতা রেলপথ ব্যবহার করেই বাংলাদেশ থেকে কলকাতা পর্যন্ত যাওয়া যাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আখাউড়া–আগরতলা রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। বন্ধু প্রতিম দুই দেশের ব্যবসা–বাণিজ্যের জন্য এই রেলপথের গুরুত্ব অনেক। দুই দেশই এর সুফল পাবে। এ জন্য উভয় দেশের সরকার প্রধান এই রেলপথ নির্মাণে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। যার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।
প্রতিদিন বাংলাদেশের আখাউড়া হয়ে ভারতের আগরতলা দিয়ে দুই দেশের লোকজন যাতায়াত করছে এবং পণ্য পরিবহন হচ্ছে। ট্রেন যোগাযোগের সুবিধা পেলে ব্যবসা–বাণিজ্যের পাশাপাশি যাত্রীরাও সহজে যাতায়াত করতে পারবেন।