
সূত্র জানায়, মন্ত্রী চাইছেন আখাউড়ায় রিকশা, ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যানসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ফুটপাতের দোকানদার, স্টেশনের কুলি, রাজমিস্ত্রিসহ বিভিন্ন শ্রমজীবীর সঙ্গে ইফতার করতে। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ইফতার আয়োজনের ব্যয় বহন করবেন। আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাসহ পৌরসভার মেয়রকে দায়িত্ব দিয়েছেন। গত বুধবার রাতে পৌরসভা কার্যালয়ে শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আলোচনা হয়। বিভিন্ন শ্রমজীবী সংগঠনের নেতারা এ সময় অন্তত দুই হাজার ২০০ মানুষের একটি লক্ষ্যমাত্রা দেন। তবে সভায় জানানো হয়, অন্তত তিন হাজার মানুষের ইফতার আয়োজন করা হবে। স্থানীয় গণ্যমান্য ও দলীয় কিছু নেতাকর্মীকেও এখানে আমন্ত্রণ জানানো হবে।