Main Menu

Thursday, February 9th, 2012

 

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খা

    ওস্তাদ আলাউদ্দিন খা বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে এক উজ্জল নক্ষত্র। তিনিই এই উপমহাদেশের সংগীত পৃথিবীর দুয়ারে পরিবেশন ও পরিচিত করার গৌরব আর্জন করেন। ব্রাক্ষনবাড়ীয়া জেলার শিবপুর গ্রামে ১৮৮১ সালে জন্মগ্রহন করেন। সবদর হোসেন খার ( সদু খা ) ৫ পুত্রের মধ্যে তিনি তৃতীয় পুত্র। বড় ভাই ছমিরুদ্দিন খাঁ ও ফকির আফতাব উদ্দিন খাঁ এবং ছোট ভাই নায়েব আলী খাঁ ও আয়েত আলী খাঁ। পিতা আদর করে ডাকতেন আলম। বাল্যকাল থেকে ই আলাউদ্দিন এর ছিল সংগীতের প্র্রতি অগাত অনুরাগ। বড়ভাই আফতাব উদ্দিন ( তাপস ) এর কাছে তার সংগীতের হাতেখড়ি।বিস্তারিত


Ullash

১৯০৮ সাল। ১লা মে, ওয়ার্নি স্টেশন থেকে গ্রেফ্তার করা হল ক্ষুদিরাম বসুকে। ব্রিটিশ প্রশাসনের হাই-কমান্ড কলকাতার পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ দিল ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকীর সাথে জড়িত সকলকে গ্রেফতার করার জন্য। ২ মে কলকাতার ব্রিটিশ প্রশাসনের পুলিশ আটটি স্থানে খানা-তল্লাশি চালায়। কলকাতার মুরারিপুকুরের বাগানবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল বারীন্দ্রকুমার ঘোষ, উপেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, উল্লাসকর দত্ত ও নলিনীকান্ত গুপ্তসহ ১৪ জনকে। ৪৮নং গ্রে স্ট্রিট থেকে শ্রীঅরবিন্দসহ তিনজনকে, ১৩৪নং হ্যারিসন রোড থেকে ৫ জনকে, রাজা নবকৃষ্ণ স্ট্রিট থেকে হেমচন্দ্র দাস কানুনগোকে, গোপীমোহন দত্ত লেন থেকে কানাইলাল দত্তসহ দুইজনকে। ১৩৪নং হ্যারিসন রোডের বাড়ি থেকে পুলিশবিস্তারিত


Hadi

 


নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা

সৈয়দ শামসুল হুদা কে.সি.আই.ই (১৮৬২-১৯২২) একজন ব্রিটিশ ভারতীয় মুসলিম রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা, নাসিরনগর উপজেলার অন্তর্গত গোকর্ণ গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। বর্তমানে ত্রিতল বিশিষ্ট ভবনটি ‘গোকর্ণ নবাব বাড়ি কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিত। পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কুমিল্লা জেলার অন্তরভুক্ত ছিল এবং ভারত বিভাজন এর পূর্বে পার্বত্য ত্রিপুরার অন্তর্গত ছিল। তার পিতা সৈয়দ রিয়াজত উল্লাহ সাপ্তাহিক দূরবীনের সম্পাদক ছিলেন। জ্ঞানার্জন সৈয়দ শামসুল হুদা তার নিজ গৃহে পিতার নিকট থেকে আরবি, ফারসি, উর্দু, বাংলা ও ইসলাম বিষয়ক প্রথমিক জ্ঞান অর্জন করেন।  তিনি ঐতিহ্যগত শিক্ষা সমাপনের জন্য হুগলী মাদ্রাসায় ভর্তি হন।  আধুনিক শিক্ষা অর্জনের জন্যবিস্তারিত


প্রফেসর মোরশেদুল ইসলাম

    ব্রিটিশ শাসনের অবসানের ঠিক দশ বছর পরের পুরোনো ঢাকা। ঐতিহাসিক সেই ঢাকার পুরোনো ঐতিহ্য তখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। লালবাগের কেল্লা, চকবাজার, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, খান মোহাম্মদ মসজিদের ঐতিহ্যে লালিত ঢাকার এই অংশের ব্যস্ততা ও জীবনযাত্রা ছিলো নতুন ঢাকার জীবনযাত্রা থেকে আলাদা (তত্কালীন সময়ে ধানমন্ডি সংলগ্ন অঞ্চলকে নতুন ঢাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হতো)। পঞ্চাশের দশকের পুরনো ঢাকার ঐতিহ্য আজকের মতো এতটা ফিকে ছিলোনা। ঐতিহাসিক ভবনগুলো মাটিতে গুড়িয়ে দিয়ে তখনো পযর্ন্ত ঢাকায় এতো বাণিজ্যিক ভবন ও মার্কেট গড়ে উঠেনি। ১৯৫৭ সালে সেই পুরোনো ঢাকার লালবাগের উর্দূ রোডে জন্মবিস্তারিত


Makon

­মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য, স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা ও ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মাখনের ৬৫তম জন্মদিন আজ শুক্রবার পহেলা জুলাই। ১৯৪৭ সালের এই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুনিয়াউটে জন্ম নিয়েছিলেন এই জাতীয় বীর । ১৯৬৬-৬৭ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৬৮-৬৯ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালে ছয়দফা আন্দোলনে ছাত্রছাত্রীদের একট্টা করেতে তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। ছাত্রনেতা হিসেবে ’৬৯ এর গণঅভূত্থানে আব্দুল কুদ্দুস মাখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭০ সালে তিনি সর্বপ্রথম ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রবিস্তারিত


ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

  ২৮ মার্চ ১৯৭১৷ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ব্লাড প্রেশারের মাত্রা ভয়ানকরকম বেড়ে গেল৷ একটু পর পর ঠান্ডা জল দিয়ে মাথা ধুয়ে আসছিলেন, না হয় ভেজা কাপড় মাথায় দিয়ে রাখছিলেন৷ এক সময় তিনি পুত্রবধূ, ছোট ছেলে দীলিপ দত্ত ও নাতনি আরমা দত্তকে ডেকে বললেন, ‘সময় খুবই কম৷ তোমাদের কিছু কথা বলা দরকার৷ আমার বেঁচে থাকার খুবই প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের জন্য, কিন্তু মনে হচ্ছে তা আর সম্ভব হচ্ছে না৷ আমার বন্ধু কন্যার (ইন্দিরা গান্ধী) সাথে এই মুহূর্তে দেখা হওয়াটা খুবই প্রয়োজন ছিল- কিন্তু এখন যদি আমি এখান থেকে চলে যাই তাহলে মিলিটারিরা আমাকেবিস্তারিত


Al Mamun

১৯৫৪ সালের এক শীতের সকাল। ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশনে ট্রেন থেকে নামলেন সদ্য কৈশোরোত্তীর্ণ ১৮ বছরের এক যুবক। পরনে তাঁর খদ্দরের জামা ও পাজামা, পায়ে রাবারের স্যান্ডেল আর বগলের নিচে ভাঙা টিনের একটা সুটকেস, যার গায়ে গোলাপ ফুল আঁকা। এক ঝলক তাকালেই বুঝা যায় নিতান্তই মফস্বলের এক যুবক কোন এক দুর্বিপাকের তাড়া খেয়ে এখানে এসে উঠেছে। তাঁর মুখের রেখায় ফুটে উঠেছে শ্রান্তির চিহ্ন কিন্তু চোখ জোড়া সাক্ষ্য দিচ্ছে যুবকের পেছনে কোন সেনাবাহিনী থাকলে তাঁর নির্ভীক দৃষ্টিই ঘোষণা করত বিজয় বার্তা। তখন ‘৫২-র ভাষা আন্দোলনের উত্তুঙ্গ সময়। এ আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলোবিস্তারিত


আকবর আলি খান

  আকবর আলি খান আকবর আলি খান একজন বাংলাদেশী আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সময়ে সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি সরকারী চাকুরী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশংকায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। প্রারম্ভিক জীবন: আকবর আলি খান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার পুরো স্কুল জীবন পার করেন নবীনগর হাই স্কুলে। তিনি ঢাকা কলেজেবিস্তারিত


শিকড় সন্ধানী শিল্পী : অদ্বৈত মল্ল বর্মণ

    শিকড় সন্ধানী শিল্পী : অদ্বৈত মল্ল বর্মণ   অদ্বৈত মল্ল বর্মণ (১৯১৪-১৯৬১) বাংলা উপন্যাস সাহিত্যের এক অকাল প্রয়াত শিল্পী। বাংলা সাহিত্যে নদীভিত্তিক উপন্যাস রচনা করে যারা বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন, অদ্বৈত মল্ল বর্মণ তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি খুব বেশি উপন্যাস রচনা করতে না পারলেও একটিমাত্র উপন্যাস ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ রচনার জন্যে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন।   ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীর পাড়ে গোর্কণ নামক একটি জেলে পাড়ায় ১৯১৪ সালের পহেলা জানুয়ারি এক মালো পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম অধরচন্দ্র বর্মণ। তিন ভাইবোনের মধ্যে অদ্বৈত ছিলেনবিস্তারিত