Main Menu

স্মৃতির খেলাঘরে বরেণ্যদের জীবনগাঁথা

+100%-

আসছে ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ইং, সৈয়দাবাদ আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হক উচ্চবিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুর্ণমিলনী উপলক্ষে আমাকে যখন বলা হয় স্কুল/গ্রামকে কেন্দ্র করে কিছু লিখতে, আমি সাদরে গ্রহণ করে বিনয়ের সহিত লেখার চেষ্টা করি …
সম্মানিত সুধী,
আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হক উচ্চবিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নতুন প্রাণের স্পর্শে স্পন্দিত ও আনন্দ হিল্লোলে মুখরিত হবে জেনে যুক্ত হয়ে যায় সংগঠনটির সাথে। কেননা আমি মনে করি, কোনো কিছু এককভাবে করার চাইতে সাংগঠনিকভাবে করা অনেক সহজসাধ্য, প্রাণচাঞ্চল্য, নিখুত ও স্বচ্ছভাবে করা যায়। আর এই সংগঠনের মাধ্যমে পুর্ণমিলনী হবে জেনে পুলকিতবোধ করি। কেননা, “পুর্ণমিলনী” শব্দটির সাথে যেন রাশি-রাশি আনন্দ মিশে আছে। এক মহা-আনন্দে মিলিত হওয়া, বন্ধু-সুধী-প্রিয়জন ও নতুন পুরাতনের আড্ডায় কোলাহলের সাথে পুরানো স্মৃতি হাতরিয়ে বেড়ানো এবং পুনরায় মিলিত হবার সুযোগ। পুরানো সোনালী দিনের স্মৃতি রোমন্থনে একটি দিন অতিবাহিত করবো এবং চমৎকার মনোরম পরিবেশে তরতাজা প্রাণের মেলায় ও প্রাণবন্ত আলোচনা দারুনভাবে উপভোগ করবো। আর সেই দায়ীত্ববোধ থেকেই আমার ভাবনাসমূহ বিনয়ের সাথে তুলে ধরতে চাই অত্র স্কুল তথা আমাদের সমাজ উন্নয়নে বরেণ্যদের ভুমিকা। বলে রাখা ভালো আমি অত্র স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেছি ২০০০ সালে, বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম বিভাগ নিয়ে। সুতরাং আমার বয়স, কর্মজীবন, পরিবেশ-পরিস্থিতি, ভুল-ত্রুটি কিংবা আবেগ মিশ্রনে লেখায় কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিক ভাবে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
প্রিয় এলাকাবাসী,
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কসবার সৈয়দাবাদ আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হক উচ্চবিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের এক সুমহান ঐতিহ্য ও খ্যাতি রয়েছে অত্র অঞ্চলে। এখানকার শিক্ষা, নিয়ম-শৃঙ্খলা, ছাত্র-শিক্ষক সুসম্পর্ক, পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফল বেশ প্রশংসার দাবীদার। বন্ধুগণ, কোন একটি এলাকার শতভাগ শিক্ষিত হলেও, সম্পদশালী হয় না। হয় না মনমানসিকতায় উদার, আর সেটা সম্ভব ও নয়। তবে,আমরা প্রায়শই দেখি, আমাদের সমাজে কেউ আছেন যিনি ইতিহাস হয়ে আসেন না, বরং তাঁর থেকে শুরু হয় নতুন এক ইতিহাস। কেউ আছেন যখন দাঁড়ান তখন একা দাঁড়ান না, সঙ্গে দাঁড়ায় লাখো মানুষ। তাদেরই একজন আলহাজ্ব এ. বি. সিদ্দিক সাহেব। এই মহান ব্যক্তির জীবনাদর্শ, কর্ম, জনগণের প্রতি মমত্ববোধ, আলোকিত সমাজ গড়ায় ও তাঁর দর্শন সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানতে হবে, জানাতে হবে যাতে উৎসাহ ও উনুপ্রেরণা পেয়ে এগিয়ে যায় নিরন্তর সম্মুখ পাণে।
তিনি আজ নেই কিন্তু তাঁর কর্ম সমাজ শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করে। তিনি পূর্ণযৌবনেই হয়েছিলেন চেয়ারম্যান, প্রতিষ্ঠিত করে ছিলেন উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান আদর্শ মহাবিদ্যালয়। যা আজ সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হিসেবে নামকরণ পেতে যাচ্ছে। এ ছাড়াও অত্র গ্রামে তাঁর হাতে গড়া মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তা-ঘাঠসহ অন্যন্যা বেশ কিছু বিদ্যমান। কসবা-আখাউড়ায় খুব কম গ্রামই আছে যেখানে তাঁর অবদান নেই। এই মানুষটি রাজনৈতিক অঙ্গনেও ছিলেন সুপরিচিত, তিনি ঢাকাস্থ কসবা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ ১৫ বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন। ছিলেন কসবা উপজেলা আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি ও ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি। জনগণের ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েও কিছু দুস্কৃতিকারির ওলট পালটে ভেস্তে যায় এই মহামানবের ঐ স্থানটি। তবে মহান মানুষটি এখনো অসম্ভব শক্তিশালী তাঁর কর্মগুনে। এই মহান আদর্শবান ব্যক্তির জন্য আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। এ.বি সিদ্দিক সাহেবের চাচা হাজী মরহুম আলী আহমেদ মৌলবি (বাদৈর হাইস্কুলের শিক্ষক), ভাই এড. আবু আমজাদ( সাবেক ডেপুটি এটর্নি জেনারেল), ছেলে প্রফেসর প্রয়াত তৌফিক সিদ্দিকি নুতন ও তাঁর মেয়ে ডাঃ সোনিয়া সিদ্দিকের (লন্ডন হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক) কৃতিত্বের আলোতে সমাজ আলোকিত ও সম্মানিত।
আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হকের প্রতিও সমাজ শ্রদ্ধা ভরে স্বরণ করে তাঁর কীর্তি। এই মহান মানুষটি ১৯৭৯ সালে সৈয়দাবাদ আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হক উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। একই সাথে অশেষ শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাই আলহাজ্ব সৈয়দ শামসুল কাউনাইন কুতুব সাহেবের প্রতি। এই বীরমুক্তিযোদ্ধা স্কুলের সম্মানিত সভাপতি হিসেবে যেমন উন্নয়ন অগ্রগতিতে দারুন ভুমিকা রাখছেন, ঠিক তেমনি কলেজ কিংবা অন্যন্যা প্রতিষ্ঠানের প্রতিও দরদ দৃশ্যমান।
জহিরুল হক, বি.এ সাহেব এলাকার উন্নয়নে একজন চিন্তাশীল মানুষ। তিনি অত্র স্কুলের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, অবদান রয়েছে অন্যন্যা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তা-ঘাঠ নির্মাণে। আপাদমস্তক এই রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন ইউ.পির চেয়ারম্যান এবং দীর্ঘদিন ধরে কসবা উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারী ও সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা বিএনপির একজন সম্মানিত উপদেষ্টা। তাঁর মেয়ে এড. ইসমত-আরা সুলতানা জেলা মহিলা বিএনপির সভাপতি ও আইনজীবী এবং ছেলে শরিফুল হক স্বপন সাহেবের উপজেলা যুবদলের “সদস্য সচিব” (সেক্রেটারী) হিসেবে রয়েছে সুপরিচিতি।
এড. হারুনুর রশিদ খাঁন গ্রামের স্কুল শিক্ষার প্রসারে তাঁর রয়েছে অবদান। তিনি নিজ গ্রামের প্রাইমারী স্কুলের প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রধান শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠালগ্নে গ্রামের হাইস্কুলে শিক্ষকতা করে সমাজের শিক্ষা বিস্তারে ভুয়শী ভুমিকা রাখেন। পাশের গ্রাম সাতগাওঁতে একটি হাইস্কুল নির্মাণ করেন। তিনি যেমন আমাদের ইউ.পির চেয়ারম্যান ছিলেন, তেমনি আইন অঙ্গনেও রয়েছে দারুন জনপ্রিয়তা। ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলাবারের বেশ কয়েকবার সেক্রেটারী ও সভাপতি ছিলেন। ছিলেন ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা জর্জকোর্টের বিশেষ পিপি । বীর এই মুক্তিযোদ্ধা বেশ কয়েকবার ধরে একটি স্কুলের সভাপতির দায়ীত্ব পালন করছেন। ছিলেন কসবা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি।
আমীরুল ইসলাম খাঁন সাহেব আমাদের সমাজের একজন অতি পরিচিত সমাজ দরদী মানুষ। তিনি আমাদের মাদ্রাসার উন্নয়নে ও সমাজের অগ্রগতিতে যথেষ্ট দায়ীত্বশীল ভুমিকা রাখছেন।পিয়ার আলী দুলাল সাহেবের হাত ধরে গ্রাম তথা অত্র এলাকার অনেক কর্মসংস্থান হয়েছে। সমাজ তাঁর কাছ থেকে সত্যিই উপকৃত। ঠিক তেমনি শিল্পপতি শাখাওয়াত হুসেন খাঁন ও তাঁর স্ত্রী আমাতুল কিবরিয়া (কেয়া চৌধুরী) এমপির সুনামে আমরাও গর্বিত ও মুগ্ধ।
প্রয়াত আবুল ফতেহ (এস.পি) ও তাঁর ছেলে হাসনাত আব্দুল হাই (সাবেক সচিব ও কথা সাহিত্যিক), মাসুদ বিন মোমেন(জাতিসঙ্ঘের স্থায়ী প্রতিনিধি) ও প্রফেসর এম.এ.মোমেনসহ(ঢাবি) এই পরিবারের অনেকেই রাষ্ট্রের গুরু জায়গায় থাকাতে গ্রামবাসী তথা অত্রএলাকা তাঁদের আলোই আলোকিত, সম্মানিত। কর্মগুনে বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সহিদুল ইসলামের (প্রয়াত সহিদ মাস্টার,যুগ্ন সচিব) প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী ও কৃতজ্ঞচিত্তে স্বরণ করছি এই মহা-মানবকে।
স্কুলের সাবেক ছাত্র বর্তমান সহযোগী অধ্যাপক খালেদ হুসেন খাঁন, বোন সহযোগী অধ্যাপক দিলারা আক্তার খাঁনসহ অন্যন্যা ভাইবোনদের কৃতিত্বেও আমরা গর্বিত। মেজর(অবঃ) হেবজুখাঁন গ্রাম উন্নয়নে এক চিন্তাশীল মানুষ এবং কর্মসংস্থানেও তাঁর অবদান শ্রদ্ধার সাথে জানাতে চাই। গ্রামের গর্ব কর্নেল এমদাদ উল্লাহ্‌ ভুঁইয়া ও তাঁর বোন বিগ্রে. জেনারেল (ডাঃ) আঞ্জুমান আরার কৃতিত্বে আমাদের সমাজ মুগ্ধ। ডা. আরিফ মোর্শেদ খাঁন ও বোন প্রফেসর রওনক জাহানদের(ঢাবি)গৌরবে আমাদেরকে অনুপ্রানিত করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর প্রয়াত আ. ন. ম আব্দুল মান্নান খাঁনের প্রতি এই সমাজের রইল শ্রদ্ধাঞ্জলী। মোঃ আবুল ফাতাহ ভুঁইয়া(বুয়েটের কেন্দ্রীয় মসজিদের সাবেক সি.প্রেস ঈমাম) একজন ইসলামিক দার্শনিক ও তাঁর পান্ডিত্বে আমদের সমাজ সম্মানিত ও গৌরবান্নিত। মেধাবী মাহমুদুল হাসান ভুঁইয়ার(যুগ্ন কর-কমিশনার)আলোই আলোকিত এই সমাজ।তরুণ সমাজ সেবক তাজুল ইসলাম নয়ন সাহেবের হাতে গড়া দিশারী কিন্ডার গার্ডেন আমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করে।
ফিরুজ মৃধা চেয়ারম্যান, মতিউর রহমান চেয়ারম্যানও সমাজ উন্নয়নে চিন্তাশীল ছিলেন। কাজ করে গেছেন নিরবে নির্ভৃতে। এছাড়া, এড. ইকবাল হুসেন ভুঁইয়া সমাজের একজন সজ্জন মানুষ। বর্তমানে বিনাউটি ইউ.পির চেয়ারম্যান ও জেলা জর্জকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তাঁর রয়েছে সুনাম। সুমৃষ্ঠ ভাষী এই সু-বক্তা দায়ীত্ব পালন করছেন কসবা-আখাউড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফোরামের সভাপতি হিসেবে।
তাজুল ইসলাম তাজু (যুগ্নসচিব) সাহেব সমাজ উন্নয়নে একজন চিন্তাশীল মানুষ, যুব ও ছাত্র সমাজের প্রাণ পুরুষ। তিনি অত্র স্কুলের সাবেক ছাত্র হওয়ায় গৌরবান্নিত ও সম্মানিত স্কুলটি। সমাজের শিক্ষা বিস্তারে কিংবা কর্মসংস্থানে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। সৈয়দাবাদ আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হক উচ্চবিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক হিসেবে বিদ্যানিকেতনের পরিবেশকে নতুন প্রানের সঞ্চার করার চেষ্ঠা চালাচ্ছেন।
অত্র স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষকগণদের ভুমিকাও আমাদেরকে অনুপ্রানিত করে। আবু জামাল, আদিল মোহাম্মদ নাছির, কাজল চন্দ্র দেব, আঃ মান্নান ভুঁইয়া, আব্দুর রাজ্জাক ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক আলী মুনসুর খাঁনদের অবদানকে কৃতজ্ঞ চিত্তে স্বরণ করছি। স্কুল উন্নয়নে, নিয়ম-শৃংখলায় ও শিক্ষা বিস্তারে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির অবদানকে শ্রদ্ধার চোখে দেখি।
সত্য, সুন্দর ও পরিপূর্ণতার পূজারী শিক্ষক: প্রয়াত আব্দুর রউফ ভুঁইয়া, মোহাম্মদ আলী (জিতু মাস্টার), মধুসুদন বাবু, কুতুবুর রহমান, প্রয়াত শফিকুল ইসলাম (বিএসসি), প্রয়াত নাজমুল ইসলাম(এম.কম), প্রয়াত আবুল কালাম আজাদ(শাহজাহান স্যার), শফিকুল ইসলাম বাবুল, গোলাম মোস্তফা মাহমুদ, নাছির উদ্দিন, এম.এ করিম বশির, তাজুল ইসলাম (এমএসসি), মনিরুল ইসলাম, রমিজ উদ্দিন স্যারসহ অত্র স্কুলে বর্তমানে কর্মরত থাকা তাজুল ইসলাম ভুঁইয়া, আরিফ মাহমুদ, শিউলি আক্তার ও নাজমা আক্তারসহ অন্যন্যাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও নিরন্তর শ্রদ্ধা।
সম্মানিত অতিথি,
আমি বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে, সমাজতন্ত্রে, বৈষম্যহীন সমাজে, ঘৃনা করি পেশীশক্তির, চর্চা করতে চাই বুদ্ধিবৃদ্ধিক মননের, যৌক্তির ও সৌন্দয্যের। থাকতে চাই সমাজে যা কিছু ভালো, যা কিছু কল্যাণের তাঁর সাথে।
গ্রামে গড়ে উঠুক খাঁ, ভুঁইয়া, চৌধুরী, আবুর, মরম আলী, সফি, গোলাম গোষ্ঠীসহ অন্যান্য গৌত্র ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মাঝে সোহার্দ- সম্প্রীতি ও ভালবাসার ঐক্য। যেখানে থাকবে না কোন আমিত্ব, থাকবে মানবিকতার এক বন্ধন। আর এই বন্ধনের মাঝেই স্মৃতির খেলাঘরে বরেণ্যদের হাতছানিতে আরও এগিয়ে যাবে প্রিয় মাতৃভূমি সৈয়দাবাদ। অত্র স্কুলের ছাত্র/ছাত্রী তথা গ্রামের নবপ্রজন্ম ছাড়িয়ে যাবে বরেণ্যদের। এই শুভকামনায় আপনাদের সকলের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, অনেক শ্রদ্ধা ও নিরন্তর ভালবাসা জানিয়ে আজকের মত এখানেই শেষ করছি।
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ আপনাদের প্রত্যেককে।

কৃতজ্ঞতায় ও শুভেচ্ছান্তে,
মোঃ তাজুল ইসলাম (হানিফ) , বিএসএস (অনার্স), এমএসএস (রা.বি), এলএল.বি।
শিক্ষক–সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় (অনার্স কলেজ), কসবা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।
সাবেক ছাত্র সৈয়দাবাদ আলহাজ্ব সৈয়দ মনিরুল হক উচ্চবিদ্যালয়।
E-mail: Tajul.repl@gmail.com , Cell No. +88-01818-52 39 58.






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares