Main Menu

দীপু মনির অভিযোগ : বাংলাদেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জেট বিমান নেই

+100%-

স্টাফ রিপোর্টার :  যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জেট বিমান থাকলেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তা নেই। এমন কি! বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীরও নেই।

তাই আমাদের বিদেশ সফরে যেতে হলে বাণিজ্যিক বিমানে করেই যেতে হয়। তখন অন্যদের মতো আমাদের বিভিন্ন দেশে ট্রানজিট নেয়ার জন্য ২-৩ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে হয়। সেক্ষেত্রে আমাদের সফরকালীন সময়ের ব্যপ্তি বেড়ে যায়।
সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে যে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমার এ বিষয়ে কোনো আক্ষেপ নেই বা আমি আমার সাথে ইউএস পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো তুলনাও করতে চাচ্ছি না।

যেহেতু আমার সফরের সাথে সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের তুলনা করা হয়েছে, তাই এ কথা গুলো আমাকে বলতে হচ্ছে।

রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ কালে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ইউএস পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের একটা শহর থেকে আরেকটা শহরে গেলেও তার জেট বিমান ব্যবহার করেন। আর আমাকে দেশের টাকা সাশ্রয় করতে রাত তিনটায়ও বিমানবন্দরে গিয়ে বসে থাকতে হয়। নিজের মতো কোনো সিডিউল তৈরি করতে পারি না।
তিনি বলেন, আমার বিদেশ সফরের বিষয়টি অসত্য, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ প্রতিবেদনটির বিরুদ্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যে প্রতিবাদ পাঠানো হয়েছে তাও ঠিকভাবে ছাপানো হয়নি। একজন নাগরিক হিসেবে এর বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নিবো।
দীপু মনি তার সফরের সংখ্যা এবং কোন কোন বিষয়ের ওপর কতবার সফর করেছেন তার বিবরণ দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাফল্যের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাফল্য থাকলে জনগণের তোপের মুখে বেশি পড়তে হয়। আমাদের সাফল্য আছে বলেই আমাদের এতো বেশি তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে।

এ সময় তিনি জানান, খুব শিগগিরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাফল্যের ওপর একটি বই প্রকাশ করা হবে।
ভারতের সাথে স্থল সীমানা চুক্তি, তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়নি একথা ঠিক। কিন্তু এর মানে আমরা ব্যর্থ তা নয়। এ চুক্তিগুলোকে এই জায়গায় নিয়ে আসা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাড়ে চার বছরের সাফল্যগুলোর একটি।
এ সময় তিনি জানান, এই চুক্তিগুলো এখন পর্যন্ত না হওয়ার পরও আমি আমার আগামী ভারত সফরের সময় এ বিষয়ে সেদেশের প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে কথা বলবো।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares