Main Menu

নবীনগরে ঈমাম লাঞ্চিত :: গ্রাম্যশালিশে ১ ব্যক্তিকে গ্রামছাড়ার নির্দেশ

+100%-

ovi-250x147ডেস্ক রিপোর্ট:: নবীনগর উপজেলার কনিকাড়া গ্রামে ঈদের নামাজ শেষে  ঈমাম লাঞ্চিত  হওয়ার  ঘটনায় গ্রামবাসী গ্রাম্যশালিশে ১ ব্যক্তিকে গ্রামছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুত্র জানায়, বৃহস্পতিবার  কনিকাড়া গ্রামে (জোড়াহাটি ঈদ্গাহ) ঈদের নামাজ শেষে মোনাজাতের আগে কিয়াম করাকে কেন্দ্র করে নামাজিদের মধ্য থেকে ১৫ থেকে ২০ জনের মত লোক কিয়ামের বিরোধিতা করেই ঈমামের উপর ঝাপিয়ে পরে। এদের মধ্য থেকে কয়েকজন ঈদগাহের গেইটগুলো বন্ধ করে দেন যাতে কেউ বের হতে না পারে।  এ ঘটনায় নামাজিদের মাঝে আতংক বিরাজের পরিবেশ সৃষ্ঠি হয়, কেউ কেউ প্রান বাচাতে দেয়াল টপকে ওই স্থান ত্যাগ করে। ঈমামকে বাচাতে গিয়ে অনেকেই ওই হামলার শিকার হয়েছেন।

এ নিয়ে ঈদের দিন থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। কনিকাড়া গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা গ্রামের শান্তি রক্ষার্থে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিনপাড়া প্রাইমারী স্কুল মাঠে গ্রাম্য শালিস বসায়। উক্ত শালিসে আলী আহম্মদ মেম্বার সভাপতিত্বে উপস্থিথ ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সরকার, মুর্শিদ মেম্বার, আব্দুর রহমান মেম্বার,সিদ্দিক মেম্বার, নান্নু সর্দার, হাজী মোঃ শিশু মিয়া, হাজী মোঃ সাহজাহান। উক্ত শালিসে অভিযুক্তদের মধ্যে ১১ জন উপস্থিত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে যে কোন ব্যবস্থায় তারা মানতে রাজী আছেন বলে শিকার করেন।  এদের মধ্যে ওই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ব্যাক্তি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মোবারক মিয়া শালিশের ডাকে সাড়া না দিয়ে অনুপস্থিত থাকায় গ্রামের শান্তি রক্ষার্থে  শালিসীসভা থেকে তাকে গ্রাম গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কনিকাড়া গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সরকার ঈমাম লাঞ্চিত  হওয়ার  ঘটনায় গ্রামবাসী গ্রাম্যশালিশে ১ ব্যক্তিকে গ্রামছাড়ার নির্দেশ ও অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়গুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি  জানান, আমরা গ্রামবাসী সবসময় শান্তির পক্ষে। এ কারনে এ ঘটনায় এলাকায় বিশৃঙ্খলা যাতে সৃষ্টি না হয় সে কারনে গ্রাম্য শালিস আহবান করা হয়। গ্রামে মোবারক মিয়া ইসলামের ভুল তথ্য দিয়ে গ্রামবাসীর মনে বিদ্বেষ সৃষ্টি করছে। গতকালের শালিসে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সে এলাকায় ঘুরাফেরা করছে  বীরদর্পে। তার হাতে সবসময় একটি লাঠি রাখছে ( তিন চার হাত লম্বা) অনেকেই লাঠির ভয়ে তার সামনে যাচ্ছে না বলেও ভাইস চেয়ারম্যান জানান।

নবীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ ইমতিয়াজ আহম্মেদ পিপিএম জানান, আমি ছুটিতে আছি তবে এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares