Main Menu

আশা জাগিয়েও সেই হার বাংলাদেশের

+100%-

দৃষ্টিসীমায় উঁকি দিয়ে আবারও হাত ফসকে বেরিয়ে গেল জয়। টি ২০ সিরিজের মতো প্রথম ওয়ানডেতেও তীরে এসে তরী ডুবল বাংলাদেশের। মেঘলা দিনে রোদেলা জয়ের আশা জাগিয়ে আবারও আক্ষেপ আর হতাশার আগুনে পুড়তে হল টাইগারদের। কাল মিরপুরে ৪৩ ওভারে নেমে আসা ডে-নাইট প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ১৩ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল শ্রীলংকা। অতিথিদের ১৮০ রানে বেঁধে ফেলেও শেষ হাসি হাসতে পারল না স্বাগতিকরা। ৩৯.২ ওভারে ১৬৭ রানে অলআউট হয়ে শ্রীলংকাকে আরেকটি অভাবনীয় জয় উপহার দিলেন মুশফিকরা। মাত্র ৬৭ রানে আট উইকেট হারানোর পরও বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ক্যাচ মিসের মহড়ায় লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়ে যায় লংকানরা। আর বাংলাদেশ দুই উইকেটে ১১৪ থেকে ১৬৭ তে অলআউট। সমস্যাটা কি তাহলে মানসিক? টানা তিন ম্যাচে এভাবে হারার কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা থাকতে পারে না। ১৮১ তাড়া করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে আসেন এনামুল হক। লাসিথ মালিঙ্গার করা প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে কক্ষচ্যুত হতে দেননি শামসুর রহমান ও মমিনুল হক। ১৫তম ওভারে থিসারা পেরেরার বলে পয়েন্টে দিলশানের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে মমিনুল (৪৪) যখন ফিরে আসেন তখনও ম্যাচে উত্তেজনার ছিটেফোটাও ছিল না। মাত্র ৪৩ বলে হাফসেঞ্চুরি করে সহজ জয়ের পথেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন শামসুর। কিন্তু ২০তম ভারে দুই রান নিতে গিয়ে শামসুরের (৬২) দুর্ভাগ্যজনক রানআউটে মরা ম্যাচে প্রাণ ফিরে আসে। দুই উইকেটে ১১৪ থেকে মুহূর্তেই বাংলাদেশের স্কোর ১৪২/৭। শামসুরের পর সাকিবকেও রানআউট করে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলংকা। সেনানায়েকের এক ওভারেই নাসির ও মাহমুদউল্লাহ বিদায় নিলে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। দুই ওভার পর ফিরে আসেন সোহাগ গাজীও। কিন্তু উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। অষ্টম উইকেটে অভিষিক্ত আরাফাত সানিকে (৫) নিয়ে গড়েন ১৯ রানের জুটি। দলীয় ১৬১ রানে লংকান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন সানি। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন তখন ২০ রান। মুশফিকুর ক্রিজে থাকায় মিরপুরের গ্যালারি তখনও উৎসবমুখর ছিল। কিন্তু নিজের পরের ওভারেই মুশফিককে (২৭) তৃতীয় শিকার বানিয়ে স্বাগতিকদের স্তব্ধ করে দেন ম্যাথিউস। দৃশ্যত ম্যাচের ভাগ্য তখনই লেখা হয়ে গিয়েছিল। ৪০তম ওভারে শেষে বাধা রুবেলকে রানআউট করে দলকে ১৩ রানের রোমাঞ্চকর জয় উপহার দেন ম্যাথিউস। এর আগে মাঠ ভেজা থাকায় নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু করা যায়নি। মিরপুরে সকালের পর আর বৃষ্টি না হলেও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খারাপ থাকায় দুপুর একটার ম্যাচ শুরু হয় পৌনে তিনটায়। ৪৩ ওভারে নেমে আসা ডে-নাইট ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দু’বার ভাবেননি মুশফিকুর রহিম। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে শুরুতেই জ্বলে ওঠেন বাংলাদেশের বোলাররা। কিন্তু ফিল্ডাররা সহজ কয়েকটি ক্যাচ হাত ছাড়া করায় খাদের কিনার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১৮০ রানের পুঁজি পেয়ে যায় শ্রীলংকা। মাত্র ৬৭ রানে আট উইকেট হারানোর পর নবম উইকেটে থিসারা পেরেরা ও সচিত্রা সেনানায়েকের ৮২ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় অতিথিরা। দুই ম্যাচের টি ২০ সিরিজে বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ানো থিসারা প্রথম ওয়ানডেতেও একাই টানলেন দলকে। ৪০ ওভারে ১৮০ রানে শ্রীলংকা গুটিয়ে গেলেও ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন থিসারা।

ঘাড়ের ব্যথার কারণে কাল খেলতে পারেননি তামিম ইকবাল। এছাড়া বিশ্রাম দেয়া হয় পেস আক্রমণের নেতা মাশরাফিকে। একাদশে জায়গা হয়নি পেসার শফিউল ইসলাম ও অলরাউন্ডার নাঈম ইসলামেরও। তাদের জায়গায় অভিষেক হয়েছে পেসার আল-আমিন হোসেন ও বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানির। অভিষেকে দু’জনই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ইনিংসের চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে দিলশানকে মিডউইকেটে মুশফিকের ক্যাচ বানিয়ে প্রথম আঘাত হানেন রুবেল হোসেন। পরের ওভারে আরেক ওপেনার কৌশাল সিলভাকে (২০) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন এই ডানহাতি পেসার। রুবেরের তোপের মুখে মাত্র ২৮ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলংকা।
একাদশ ওভারে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি কুমার সাঙ্গাকারাকে (৮) নিজের প্রথম ওয়ানডে শিকারে পরিণত করেন আল-আমিন। পরের ওভারে আশান প্রিয়াঞ্জনকে এলবিডব্ল–র ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ফের আঘাত। ১৫তম ওভারে সাকিবের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রানআউট হয়ে বিদায় নেন দিনেশ চান্দিমাল। এরপর টানা দুই ওভারে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও নুয়ান কুলাসেকারাকে বোল্ড করে লংকানদের খাদের কিনারা ঠেলে দেন আরাফাত সানি। ২২তম ওভারে ভিতানাগে যখন রানআউট হন শ্রীলংকার স্কোর তখন ৬৭/৮।
কিন্তু বাগে পেয়েও লংকানদের একশোর মধ্যে বেঁধে ফেলতে পারেনি স্বাগতিকরা। ব্যক্তিগত ৬ রানে সোহাগ গাজীর হাতে জীবন পান থিসারা। সানির বলে সহজ ক্যাচটিকে ছক্কায় পরিণত করেন সোহাগ। পাঁচ রানে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান সেনানায়েকেও। পরে আরও দু’বার তাদের ক্যাচ পড়েছে। এভাবে ভাগ্যের হাত ধরে ৮২ রানের জুটি গড়ে দলের মান বাঁচান তারা। ৩৬তম ওভারে সেনানায়েকেকে (৩০) বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন সাকিব। কিন্তু শেষ উইকেট জুটিতে আরও ৩১ রান যোগ করে ১৮০ তে থামে শ্রীলংকা। যেখানে মালিঙ্গার অবদান শূন্য! মাত্র ৫৭ বলে করা হার না মানা ৮০ রানের ইনিংসে চারটি চার ও ছয়টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন থিসারা। বাংলাদেশের পক্ষে রুবেল, সাকিব ও সানি দু’টি করে এবং আল-আমিন ও সোহাগ একটি করে উইকেট নেন।
– See more at: http://www.jugantor.com/first-page/2014/02/18/70072#sthash.0lwIwMi9.dpfদৃষ্টিসীমায় উঁকি দিয়ে আবারও হাত ফসকে বেরিয়ে গেল জয়। টি ২০ সিরিজের মতো প্রথম ওয়ানডেতেও তীরে এসে তরী ডুবল বাংলাদেশের। মেঘলা দিনে রোদেলা জয়ের আশা জাগিয়ে আবারও আক্ষেপ আর হতাশার আগুনে পুড়তে হল টাইগারদের। কাল মিরপুরে ৪৩ ওভারে নেমে আসা ডে-নাইট প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ১৩ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল শ্রীলংকা। অতিথিদের ১৮০ রানে বেঁধে ফেলেও শেষ হাসি হাসতে পারল না স্বাগতিকরা। ৩৯.২ ওভারে ১৬৭ রানে অলআউট হয়ে শ্রীলংকাকে আরেকটি অভাবনীয় জয় উপহার দিলেন মুশফিকরা। মাত্র ৬৭ রানে আট উইকেট হারানোর পরও বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ক্যাচ মিসের মহড়ায় লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়ে যায় লংকানরা। আর বাংলাদেশ দুই উইকেটে ১১৪ থেকে ১৬৭ তে অলআউট। সমস্যাটা কি তাহলে মানসিক? টানা তিন ম্যাচে এভাবে হারার কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা থাকতে পারে না। ১৮১ তাড়া করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে আসেন এনামুল হক। লাসিথ মালিঙ্গার করা প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে কক্ষচ্যুত হতে দেননি শামসুর রহমান ও মমিনুল হক। ১৫তম ওভারে থিসারা পেরেরার বলে পয়েন্টে দিলশানের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে মমিনুল (৪৪) যখন ফিরে আসেন তখনও ম্যাচে উত্তেজনার ছিটেফোটাও ছিল না। মাত্র ৪৩ বলে হাফসেঞ্চুরি করে সহজ জয়ের পথেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন শামসুর। কিন্তু ২০তম ভারে দুই রান নিতে গিয়ে শামসুরের (৬২) দুর্ভাগ্যজনক রানআউটে মরা ম্যাচে প্রাণ ফিরে আসে। দুই উইকেটে ১১৪ থেকে মুহূর্তেই বাংলাদেশের স্কোর ১৪২/৭। শামসুরের পর সাকিবকেও রানআউট করে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলংকা। সেনানায়েকের এক ওভারেই নাসির ও মাহমুদউল্লাহ বিদায় নিলে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। দুই ওভার পর ফিরে আসেন সোহাগ গাজীও। কিন্তু উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। অষ্টম উইকেটে অভিষিক্ত আরাফাত সানিকে (৫) নিয়ে গড়েন ১৯ রানের জুটি। দলীয় ১৬১ রানে লংকান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন সানি। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন তখন ২০ রান। মুশফিকুর ক্রিজে থাকায় মিরপুরের গ্যালারি তখনও উৎসবমুখর ছিল। কিন্তু নিজের পরের ওভারেই মুশফিককে (২৭) তৃতীয় শিকার বানিয়ে স্বাগতিকদের স্তব্ধ করে দেন ম্যাথিউস। দৃশ্যত ম্যাচের ভাগ্য তখনই লেখা হয়ে গিয়েছিল। ৪০তম ওভারে শেষে বাধা রুবেলকে রানআউট করে দলকে ১৩ রানের রোমাঞ্চকর জয় উপহার দেন ম্যাথিউস। এর আগে মাঠ ভেজা থাকায় নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু করা যায়নি। মিরপুরে সকালের পর আর বৃষ্টি না হলেও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খারাপ থাকায় দুপুর একটার ম্যাচ শুরু হয় পৌনে তিনটায়। ৪৩ ওভারে নেমে আসা ডে-নাইট ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দু’বার ভাবেননি মুশফিকুর রহিম। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে শুরুতেই জ্বলে ওঠেন বাংলাদেশের বোলাররা। কিন্তু ফিল্ডাররা সহজ কয়েকটি ক্যাচ হাত ছাড়া করায় খাদের কিনার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১৮০ রানের পুঁজি পেয়ে যায় শ্রীলংকা। মাত্র ৬৭ রানে আট উইকেট হারানোর পর নবম উইকেটে থিসারা পেরেরা ও সচিত্রা সেনানায়েকের ৮২ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় অতিথিরা। দুই ম্যাচের টি ২০ সিরিজে বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ানো থিসারা প্রথম ওয়ানডেতেও একাই টানলেন দলকে। ৪০ ওভারে ১৮০ রানে শ্রীলংকা গুটিয়ে গেলেও ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন থিসারা।
ঘাড়ের ব্যথার কারণে কাল খেলতে পারেননি তামিম ইকবাল। এছাড়া বিশ্রাম দেয়া হয় পেস আক্রমণের নেতা মাশরাফিকে। একাদশে জায়গা হয়নি পেসার শফিউল ইসলাম ও অলরাউন্ডার নাঈম ইসলামেরও। তাদের জায়গায় অভিষেক হয়েছে পেসার আল-আমিন হোসেন ও বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানির। অভিষেকে দু’জনই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ইনিংসের চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে দিলশানকে মিডউইকেটে মুশফিকের ক্যাচ বানিয়ে প্রথম আঘাত হানেন রুবেল হোসেন। পরের ওভারে আরেক ওপেনার কৌশাল সিলভাকে (২০) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন এই ডানহাতি পেসার। রুবেরের তোপের মুখে মাত্র ২৮ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলংকা।
একাদশ ওভারে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি কুমার সাঙ্গাকারাকে (৮) নিজের প্রথম ওয়ানডে শিকারে পরিণত করেন আল-আমিন। পরের ওভারে আশান প্রিয়াঞ্জনকে এলবিডব্ল–র ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ফের আঘাত। ১৫তম ওভারে সাকিবের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রানআউট হয়ে বিদায় নেন দিনেশ চান্দিমাল। এরপর টানা দুই ওভারে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও নুয়ান কুলাসেকারাকে বোল্ড করে লংকানদের খাদের কিনারা ঠেলে দেন আরাফাত সানি। ২২তম ওভারে ভিতানাগে যখন রানআউট হন শ্রীলংকার স্কোর তখন ৬৭/৮।
কিন্তু বাগে পেয়েও লংকানদের একশোর মধ্যে বেঁধে ফেলতে পারেনি স্বাগতিকরা। ব্যক্তিগত ৬ রানে সোহাগ গাজীর হাতে জীবন পান থিসারা। সানির বলে সহজ ক্যাচটিকে ছক্কায় পরিণত করেন সোহাগ। পাঁচ রানে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান সেনানায়েকেও। পরে আরও দু’বার তাদের ক্যাচ পড়েছে। এভাবে ভাগ্যের হাত ধরে ৮২ রানের জুটি গড়ে দলের মান বাঁচান তারা। ৩৬তম ওভারে সেনানায়েকেকে (৩০) বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন সাকিব। কিন্তু শেষ উইকেট জুটিতে আরও ৩১ রান যোগ করে ১৮০ তে থামে শ্রীলংকা। যেখানে মালিঙ্গার অবদান শূন্য! মাত্র ৫৭ বলে করা হার না মানা ৮০ রানের ইনিংসে চারটি চার ও ছয়টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন থিসারা। বাংলাদেশের পক্ষে রুবেল, সাকিব ও সানি দু’টি করে এবং আল-আমিন ও সোহাগ একটি করে উইকেট নেন।
– See more at: http://www.jugantor.com/first-page/2014/02/18/70072#sthash.0lwIwMi9.dpuf





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares