Main Menu

আশুগঞ্জ গ্যাস কম্প্রেসার ষ্টেশন চলতি মাসে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী : মোঃ আব্দুল মোমেন

+100%-

মো.শফিকুল ইসলাম . আশুগঞ্জ থেকে :

 

জাতীয় গ্যাস সঞ্চলান লাইনে গ্যাসের চাপ স্বাভাবীক রাখতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ও ট্ঙ্গাাইলের এল্ঙ্গোয় ২টি  কম্প্রেসার ষ্টেশন স্থাপন করছে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল)। প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই কমপ্রেসার স্টেশন ২টি কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।  এই কমপ্রেসার স্টেশন ২টি কমিশনিং কাজ ও  শেষ  করেছে কর্তৃপক্ষ। কমিশিনিং কাজ সফল হওয়ায় চলতি মাসের কোন দিন এই কমপ্রেসার স্টেশনটি প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধনের সম্ভ্যবনা  কথা রয়েছে।

জিটিসিএল সূত্রে জানা যায় দেশের পূর্বাঞ্চলের গ্যাসত্রে গুলো থেকে উৎপাদিত গ্যাস ২টি পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানীর আশুগঞ্জ মেনিফোল্ড স্টেশনে।এখান থেকে ৪টি পাইপ লাইনের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া,ঢাকা,চট্রগ্রাম ও রাজশাহী অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। গ্যাস উত্তোলনের পর তা ১ হাজার পিএসআই (পাউন্ড পারস্কয়ার ইঞ্চি) প্রেসারে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর কথা থাকলেও সরবরাহ লাইনে বিপরীতমুখী শক্তি ও বাধায় এই চাপ ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস ও হবিগঞ্জ গ্যাসত্রে থেকে গ্রীড লাইনে গ্যাস সরবরাহ করা হলে আশুগঞ্জে পৌঁছতে এই চাপ সাড়ে ৭শ’, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় ৫ থেকে ৬শ’ এবং খুলনা-রাজশাহী অঞ্চলে ৪শ’ পিএসআই (পাউন্ড পারস্কয়ার ইঞ্চি) কখনোবা তার নিচে নেমে যায়। এভাবে চাপ কমে যাওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ করতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। সরকার সারাদেশে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক রাখতে এবং গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে লক্ষ্যে ২০১১ সালে গ্যাস কম্প্রেসার স্টেশন নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে। যা পরবর্তীকালে সাইট সিলেকশনের মাধ্যমে একই সাথে গত বছরের আগষ্ট মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় দুটি কম্প্রেসার স্টেশন নির্মার্ণ কাজ শুরু করে। সরকার ও এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়ে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। আশুগঞ্জ ও এলেঙ্গায় কমপ্রেসার স্টেশন বসানোর কাজ ইতিমধ্যে শতভাগ শেষ হয়েছে।

তবে আশুগঞ্জ ও এলেঙ্গা গ্যাস কমপ্রেসার স্টেশন প্রকল্প পরিচালক মোঃ আমজাদ হোসেন জানান এই কমপ্রেসার  স্টেশনটি চালু হলে গ্যাসের সকল সঞ্চালন লাইনে গ্যাসের চাপ ৭‘শ পিএসআই থেকে এক হাজার পিএসআই-এ উন্নীত হবে।এতে করে দেশের সার কারখানা,বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সকল অবকাঠামোতে গ্যাসের চাপ বাড়বে। দেশে গ্যাসের চাপ নিয়ে ঢাকা,চট্রগ্রাম ও রাজশাহী অঞ্চলে যে সংকট রয়েছে তা সম্পূন্ন কেটে যাবে। ফলে আবাসিক গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের প্রেসার নিয়ে সকল সমস্যা মিটে যাবে।

এ ব্যাপারে জিটিসিএল আশুগঞ্জ এর উপ মহাব্যবস্থাপক মোঃ আব্দুল মোমেন বলেন এই প্রকল্পটি চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি চালু হলে ঢাকাসহ সারাদেশে গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় গ্যাসের চাপ সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস চাপ নিয়ে দীর্ঘ দিনের সমস্যা মিটে যাবে বলে এমনটাই আশা করা হচ্ছে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares