Main Menu

আখাউড়া পৌর মার্কেট নির্মাণ নিয়ে জটিলতা, পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা

+100%-

নিজস্ব প্রতিবেদক: আখাউড়া পৌরসভার মার্কেট নির্মাণ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসকের মালিকানাধীন জায়গায় মার্কেট নির্মাণের অভিযোগে ইতিমধ্যেই পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজলের বিরুদ্ধে থানার পর আদালতেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দায়ের করা মামলায় আদালত মেয়রকে ১৫ দিনের মধ্যে জবাব
দেয়ার পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত মামলায় উল্লেখিত স্থানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে থানায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে আখাউড়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। মার্কেট নির্মাণ বন্ধ রাখতে বর্তমান সংসদ সদস্যও কলকাঠি নাড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন মেয়র।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারি জজ আখাউড়া আদালত ও গত ১৫ অক্টেবার আখাউড়া থানায় দায়ের করা মামলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আখাউড়া মৌজার ২৫২ দাগের ২১ শতক, ২৯৮ দাগে ২২ শতক ও ২৯৯ দাগে জেলা প্রশাসকের মালিকানাধীন ২০ শতক জায়গায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের নির্মিত বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র আছে। যেখানে বন্যার সময় লোকজন আশ্রয় নেয় ও পরবর্তীতে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবার কাজে ব্যবহার হয়। পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল ওইস্থানে মার্কেট নির্মাণের প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।

১৫ অক্টোবর দায়ের করা মামলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জায়গাটি মেয়র দখলে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে গত ২১ অক্টোবর আদালতে দায়ের করা মামলায় একই বাদী জায়গাটি তাদের দখলে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া মামলার বিবরণে আরো একাধিক অসঙ্গতি, মিথ্যা তথ্য ও তথ্য গোপন করার অভিযোগ করেছেন পৌর কর্তৃপক্ষ।

আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল জানান, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়াতেই লড়বেন তারা। মামলায় অনেক অসত্য তথ্য দেয়া ও তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে তিনি বলেন, ’২০১০ সালে উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জায়গাটি আমাদেরকে দিলে সেখানে পৌর ভবন নির্মাণ হয়। এখন বাকি জায়গায় মার্কেট নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। একটি মহলের অন্যায় আবদার মেটাতে না পারায় তারা পিছু লেগেছে। বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ মো. শাহ আলমও মার্কেট নির্মাণের বিরোধিতা করছেন।

তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম এ বিষয়ে সাংবাদিকদেরকে কাছে মুখ খুলতে রাজি হন নি। তিনি বলেন, ’যা হবার তা আইনের আওতায় হবে’।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares