Main Menu

নবরূপে আখাউড়া চেকপোষ্ট : নভেম্বরেই শুরুর সম্ভাবনা

+100%-

ডেস্ক ২৪ :পূজোর পর নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেই আগরতলায় নির্মিত ভারতের দ্বিতীয় ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্ট চালু হয়ে যাবে। দেশের প্রথম ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্টটি রয়েছে পাঞ্জাবের ভারতের সীমান্তে। বুধবার আগাতলার আখাউড়া সীমান্তে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্টের নির্মাণ কাজ তদারকি করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাই বললেন দিল্লী থেকে আসা প্রতিনিধি দলের নেত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব গৌরী কুমার। একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ভারতের চারটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাড়ানো এবং মানুষের যাতায়াত সহজ করতে তেরটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্ট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। রাষ্ট্রগুলি হল পাকিস্তান, নেপাল, মায়ানমার এবং বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে আগরতলা আখাউড়ার ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্ট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। সামান্য যেসব কাজ রয়েছে এ মাসেই শেষ হয়ে যাবে। ঘোষণা অনুযায়ী অক্টোবর মাসের শেষ অথবা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আখাউড়া আই সি পি উদ্বোধন হলে তা হবে ভারতের দ্বিতীয়। শুল্ক, অভিবাসন, পার্কিং, হোটেল, ব্যাংক, যাত্রী আবাসন সহ বাণিজ্য ও পরিবহণ সংক্রান্ত যাবতীয় পরিকাঠামোকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসা হয়েছে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্টে। আখাউড়ায় এই চেকপোষ্ট্ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল কয়েক বছর আগে। বুধবার এর র্নিমাণকাজ খতিয়ে দেখতেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং বাংলাদেশ নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধি দল স্থলবন্দর পরিদর্শনে আসে। প্রতিনিধি দলের নেতৃতেত্ব ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব গোরী কুমার। আঠারজনের প্রতিনিধি দলে এছাড়াও ছিলেন ভারত সরকারের স্থলবন্দর অথরিটির চেয়ারম্যান ওয়াই এস শেরাওয়াত, সদস্য একে বুম্বা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ, নর্থ-ইস্ট রিজিওনের শুল্ক কমিশনার জি পানমিই, ইস্টার্ন কমান্ডের বি এস এফ-এর অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিডি শর্মা, ইমিগ্রেশনের জয়েন্ট ডিরেক্টর পিকে ভরদ্বাজ সহ উচ্চ পদস্থ সচিব এবং আধিকারিকরা। প্রতিনিধি দলটি বুধবার সকালে আখাউড়া সীমান্তে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্টের যাবতীয় নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে। একই সঙ্গে অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ সহ নতুন করে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। পরিদর্শন শেষে রাজ্যের মুখ্যসচিব এস কে পান্ড, রাজ্য পুলিশের ডি জি,রাজ্য স্বরাষ্ট্র সচিবের সাথে বৈঠক করেন। দুপুরে রাজ্য অতিথিশালায় খাওয়া-দাওয়া সেরে বিকেলেই কলকাতা ফিরে যান। আগামীকাল প্রতিনিধি দলটি প্রশ্চিমবঙ্গের পেট্টাপোল এবং বাংলাদেশের বেনাপোল পরিদর্শন করবে। সেখানেও একটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্ট নির্মাণ হবে। কেন্দ্রীয় সরকার এর মধ্যেই প্রকল্প তৈরীর কাজ শেষ করেছে। সাব্র“ম সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্যবন্দর মাত্র পচাঁত্তর কিলোমিটার। কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যের গতি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের সুবিধা নিতে। এক্ষেত্রে ত্রিপুরা রাজ্য সব থেকে বেশী লাভবান হবে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের পেট্টাপোল সীমান্তের খোলনলচে বদলে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের সিংহভাগ হয়ে থাকে পেট্টাপোল সীমান্ত বন্দর দিয়েই। বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য বাড়াতে ভারত সরকার সাতটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্ট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর জন্য প্রায় পাচঁশ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। প্রথম পর্যায়ে ত্রিপুরার চেকপোষ্ট নির্মাণ হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে হবে পশ্চিমবঙ্গের হিলি ও চেংরাবান্ধা, আসামের সুতারকান্দি এবং মিজোরামের কার পুইচুয়াতে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares