Main Menu

নৌযান শ্রমিক কর্মবিরতি আশুগঞ্জ ও ভৈরব বন্দরে অচলাবস্থা

+100%-
ডেস্ক ২৪ : নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের ভৈরব বন্দরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। উভয় বন্দরে প্রায় ২০০ কার্গো জাহাজ আটকা পড়েছে। নৌযান থেকে মালামাল ওঠানো-নামানো বন্ধ রয়েছে।
শ্রমিক নেতারা জানান, নৌপথগুলোর এখন বেহাল দশা। খনন না করায় নৌযান চালাতে কষ্ট হয়। পথে পথে চাঁদাবাজি ও ডাকাতির কারণে এ পেশা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সময়ে দাবি জানানোর পরও সরকার নদীপথের নিরাপত্তায় তেমন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। অল্প বেতনের চাকরির কারণে তাঁদের পরিবারেও সুখ নেই। এই অবস্থায় বেতন বৃদ্ধি, নৌপথে ডাকাতি প্রতিরোধ ও মেরিন আইনের সঠিক বাস্তবায়নসহ ১৭ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন শুক্রবার থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি কর্মসূচির ডাক দেয়।
ফেডারেশনের আশুগঞ্জ শাখার সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার বলেন, বেতন বাড়ানোর দাবিটি পুরোনো। ৮ জানুয়ারি নৌমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু নৌযান মালিকেরা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন না। ফলে তাঁদের কর্মবিরতিতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।
কার্গো মালিকেরা জানান, চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এমনিতেই নৌযান ব্যবসা ক্ষতির মধ্যে পড়েছে। আর এখন কর্মবিরতির কারণে সবকিছু অচল হয়ে গেছে। সার, সিমেন্ট, পাথর ও কয়লাভর্তি কার্গোগুলো খালাস করতে না পারায় আর্থিক লেনদেন বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ কার্গো ভ্যাসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় পর্ষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হুসাইন বলেন, ‘শ্রমিকদের ১৭ দফা দাবির মধ্যে বেতন বৃদ্ধির দাবিটি আমাদের কাছে। বাকি দাবি সরকারের কাছে। সরকারের কাছে আবার আমাদের কিছু দাবি রয়েছে। সরকার আমাদের দাবি পূরণ না করলে শ্রমিকদের দাবি আমাদের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।’






Shares