Main Menu

শুভ উদ্বোধন করলেন স্থানীয় সংসদ বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর বিদ্যুৎ পেল নাসিরনগরের নিশ্চিন্তপুর গ্রামবাসী।

+100%-

এম.ডি.মুরাদ মৃধা,নাসিরনগর হতেঃ স্বাধীনতার প্রায় ৪৮ বছর পর বিদ্যুতের আলোয় আলো দেখল নিশ্চিন্তপুর গ্রামবাসী। ওই গ্রামের ৪৫০টির পরিবার পেয়েছে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ।
“শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রাামে বিদ্যুতের শুভ উদ্বোধন করলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য,নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য,বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।
শুক্রবার ৪ মে নিশ্চিন্তপুর গ্রামবাসীর আয়োজনে স্থানীয় আ.লীগ নেতা খলিলুর রহমানের বাড়িতে ১ কোটি ৪৪ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করা হয়। নির্মিত লাইনের পরিমাণ ৭.২০৯ কিলোমিটার। নতুন সংযোগকৃত গ্রাহকের সংখ্যা ৭২৯ টি। আবাসিক লাইন ৬৯৩টি। বাণিজ্যিক সংযোগ ২৪টি। সি.আই সংযোগ ১২ টি। আজ সংযোগ দেয়া হচ্ছে ৪৬২ টি।
আব্দুল মোনায়েম কায়কোবাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখে নাসিরনগর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম, সংসদ সদস্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১(নাসিরনগর)আসনের সংসদ সদস্য ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাছউদ পারভেজ মজুমদার, বিআরডিবির চেয়ারম্যান প্রদীব কুমার রায়, গোলাম মোস্তফা, সাবেক বিআরডিবি চেয়ারম্যান সৈয়দ ওয়াজেদ আলী, গুনিয়াউক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল হোসেন। গুনিয়াউক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিতু মিয়। অনুষ্ঠান সঞ্চলনায় ছিলেন কবি আল ইমরান।
এই প্রথম গ্রামে বিদ্যুৎ পেয়ে খুশিতে আত্মহারা এখানকার গ্রামবাসী। গ্রামের কয়েজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি জানান, আমরা এতদিন কেরাসিনের বাত্তি দিয়া আলো জালাইতাম। অহন কারেন্টের আলো দিয়া বাত্তি জালামু। মনডা খুব আনন্দ লাগতাছে।
নিশ্চিন্তপুর গ্রামের ফুলচান বিবি বলেন, আগে কেরাসিনের বাত্তি দিয়া কুরআন শরীফ পড়তাম অহন কারেনের বাত্তি দিয়া পড়–ম। আমরার সংগ্রাম এমপি হইয়াই আমারারে কারেনের বাত্তি দিছে। আমরা তার লাই¹া দুয়া করি।
উপজেলার গুনিয়াউক ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রাামের বাসিন্দারা ৪৮ বছর পর বিদ্যুৎ পেয়ে তাদের আজ বাধঁভাঙ্গা আনন্দ। তারা কখনও ভাবতে পারেনি বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার করতে পারবে। যা ছিল তাঁদের কাছে দুঃসাধ্য। হয়ত মাঝে মধ্যে কয়েকবার বিদ্যুতের স্বপ্ন দেখেছেন কিন্তু তা কবে বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন সবাই।।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares