Main Menu

নাসিরনগরে নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়া ভবন নির্মাণ!

+100%-

এম.ডি.মুরাদ মৃধা,নাসিরনগর প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে উপজেলা সদরে কোন প্রকার নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়া তৈরি হচ্ছে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ। সরেজমিনে দেখা যায়, বহুতল ভবন নির্মাণের সময় নিচে সাধারণ পথচারীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করেই তৈরি হচ্ছে এসকল বহুতল ভবন। চারপাশ জাল দিয়ে ঢেকে ও নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে বহুতল ভবন নির্মাণ করার নিধান থাকলেও মালিক পক্ষ বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কেউ মানছেনা এ আইন। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পথচারীরা।

বাংলাদেশ জাতীয় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা (বিএনবিসি) অনুসারে, নির্মাণাধীন ভবনের চারপাশ নাইলনের জাল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। নির্মাণসামগ্রী যেন পড়ে না যায়, সে জন্য বাইরের দেয়ালে নিরাপত্তামূলক মাচা (কেনোপি) রাখতে হবে। এ মাচা থাকবে নির্মাণকাজের শুরুথেকে শেষ পর্যন্ত। এ ছাড়া ভবনের চারপাশে নোটিশ বোর্ডে পর্যাপ্ত বিপদের চিহ্ন অথবা রঙিন আলো দিয়ে বিপদ চেনার ব্যবস্থা করতে হবে। বিধি অনুসারে, নিরাপত্তার এসব ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে ভবনের মালিক বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসার সামনে এত বড় কমপ্লেক্স ভবন হল সম্পূর্ণ নিরাপত্তাবেষ্টনী ছাড়া অথচ প্রশাসন নিরব ভুমিকা পালন করেছে রাজনৈতিক কারণে। তাদের ভয়ে প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ জনগনও কিছু বলতে সাহস পায়নি।

যে দুটো ভবন হচ্ছে তার একটি সরকারী, অন্যটি বেসরকারী। বেসরকারী ভবনটির মালিক ডাঃ পাবেল। তিনি হবিগঞ্জন থাকেন বলে জানা যায়। অন্য দিকে সরকারী ৫তলা ভবনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম এমবি.সি.এম.জেড.এইচ(জেবি) আশুগঞ্জ। নির্মাণাধীন ভবনে ব্যবহার করা বস্তু ইট,পাথর,কাঠ,বাঁশ,রড সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতী পড়ে যে কোন সময় পথচারীর অকাল মৃত্যু হতে পারে বা মারাত্বক আহত হতে পারে। এ পথ দিয়ে যেতে হয় নাসিরনগরের একমাত্র বাজার,থানা ও সাবরেজেষ্ট্রি অফিসে। এই রাস্তায় রয়েছে আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন যদি কোন স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী আহত বা মৃত্যু হয় তাহলে এর দায় কে নিবে?

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রিয়াদুল কুদ্দুস জানান, বেসরকারী ভবন তৈরি করতে প্রথম সরকারের অনুমোদন লাগে। কিন্তু ডাঃ পাবেল আমাদের কাছ থেকে কোন অনুমোদনের প্রয়োজন মনে করেনি। আর সরকারী ভবনের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভবনতো এখন হয়েই গেছে। এখন আর বলে লাভ কি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিয়াকত আলীকে অবহিত করা হলেও ভবন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পর্যন্ত কোন কোন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি বলেন আমি বিষয়টি গুরত্ব সহকারে দেখছি।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares