Main Menu

নাসিরনগরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ইমাম হোসেন অা.লীগ সমর্থিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী

+100%-

এম.ডি.মুরাদ মৃধা, নাসিরনগর হতে: নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের একমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়। আগামী ১৫ মে নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীরা তাদের আরামের ঘুম হারাম করে ভোটারদের মন জয় করতে দৌড় ঝাপ শুরু করেছেন। মোঃ ইমাম হোসেন কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী।
ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন নিয়ে সরেজমিন ঘুরে কয়েকজন ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভোটার বলেন, ইমাম হোসেন একজন যোগ্য লোক। ইমামের হোসেনের সাথে কুন্ডা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান, আ.লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ সহ এলাকার সকল শ্রেণির মানুষ আছে।

অপর একজন ভোটার বলেন, যারা ফেসবুকে প্রচার করছে আ.লীগ সমর্তিত প্রার্থী তাহা সম্পূর্ণ ভুল। তাদের সাথে আ.লীগের কোন অঙ্গসংগঠনের সভাপতি বা সেক্রেটারি নেই। একমাত্র ইমাম হোসেনের সাথে কুন্ডার সকল পেশার ও শ্রেণির মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্তন করেছে।
বিধু দাস নামে একজন ভোটার বলেন, ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনের দিন যে কোন সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে। ঘটতে পারে বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনা।

একনজরে ইমাম হোসেনঃ
মোঃ ইমাম হোসেন। তিনি কুন্ডা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স ও এমএ পাশ করেন। ইমাম হোসেন ১৯৭৬ এ জাকসু(জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের) নাট্য সম্পাদক ও ঢাকা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৭১ পরবর্তী সময়ে তিনি জীবনের ৪০ বছর ওমানে কাটিয়েছেন। সেখানেও তিনি প্রিয় দল আ.লীগের হয়ে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ওমান আ.লীগের সাবেক সভাপতি এবং উপদেষ্টা ছিলেন
ইমাম হোসেনের ২ মেয়ে ১ ছেলে।
বড় মেয়ে এমবিএ করে অস্ট্রেলীয়া একটি ব্যাংকে চাকরী করছেন। ছোট মেয়ে ওমানে একটি সরকারী হাসপাতালে ডাক্তারী করছেন। একমাত্র ছেলে আমেরিকার ফ্লুরিডিয়াতে চাকরীরত।
ইমাম হোসেন ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরুদ্ধ আনন্দোলন করে কারা বরণ করেন। তিনি দীর্ঘ দিন কুমিল্লা জেলা কারাগারে বন্ধী ছিলেন।
১৯৭০ এর নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ। যাদের সাথে থেকে রাজনীতি করেছেন, প্রয়াত মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী এড.ছায়েদুল হক এমপি, প্রয়াত আ.লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ল্যা.অব গেলামনূর।
ইমাম হোসেন ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ হতে রোড মার্চ করে ২৩ মার্চ আন্ডার গ্রউন্ডে ট্রেনিং এর জন্য চলে যায়।
পরে ৬ এপ্রিল ভারতের আগরতলায় চলে যায় যুদ্ধের ট্রেনিং করতে। সেখানে তখনও মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়নি কিছুদিন পরে ইমাম হোসেনকে গেরিলা প্রশিক্ষণের জন্য রাশিয়া পাঠাবার জন্য মনোনিত করে। তার পর বাড়িতে চলে আসে মা বাবার কাছে শেষ বিদায় নেয়ার। এর পরই শুরু হয় যুদ্ধ। তার আর রাশিয়া যাওয়া হয়নি।

ঢাকায় যাদের সাথে রাজনীতি করেছেন,
মোফাজ্জল হোসেন মায়া,মোজাম্মেল হক, আ.স.ম আব্দুর রউফ, বাহার উদ্দিন,আফজাল হোসেন, ওবায়দুল কাদের। তারা ছিল সারা দেশের রাজপথের লড়াকু সৈনিক। আজ তারাই বাংলাদেশ আ.লীগের নীতিনির্ধারক।
কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন নিয়ে প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মাকসুদুর রহমান জানান, আমরা চেষ্টা করব শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নির্বাচন করতে। বরাবরের ন্যায় এবারও একটি ভাল নির্বাচন উপহার দিতে পারব। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares