Main Menu

সরাইল মুক্ত দিবস পালিত

+100%-

মোহাম্মদ মাসুদ, সরাইল ॥স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর আবারও অত্যন্ত ঝাঁকঝমক পূর্ণভাবে পালিত হয়েছে সরাইল মুক্ত দিবস। আনন্দে ভাসছিলেন উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধারা। তোরণ ও ডিজিটাল ব্যানারে ছেয়ে গেছে উপজেলা সদর।

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর সরাইল পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে সরাইল থানা চত্বরে উত্তোলন করা হয় লাল-সবুজের পতাকা। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা নানা কর্মসূচিতে ছিলেন ব্যস্ত। আর (৮ সিসেম্বর) শুক্রবার সকালে জাতীয় ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আবদুল হালিম ও কমান্ডার ইসমত আলী। পরে তারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। সকাল ১০টা থেকে ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে উপজেলা সদরে প্রবেশ করতে থাকে আ’লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।

সকাল ১১টায় স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ইসমত আলীর নেতৃত্বে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বিশাল র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীতে মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন। র‌্যালীটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়।
সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ মিনার চত্বরে কমান্ডার ইসমত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা। সভার শুরুতেই জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শফিকুল আলমকে সংবর্ধনা প্রদান করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও আবদুল হালিম নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ। পরে ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আনোয়ার হোসেন ও সরাইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় ওই সভায় বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসভাপতি শেখ জাফর আহমেদ মুজাহিদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বাংলাদেশ শিক্ষক কল্যাণ ট্রাষ্টের সদস্য সচিব অধ্যাপক শাহজাহান আলম সাজু, সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা আ’লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন, উপদেষ্টা ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আমানুল হক সেন্টু, সহ-সভাপতি তাজ মোঃ ইয়াছিন, মহিলা আ’লীগের সভাপতি মিনারা আলম, সরাইল কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, জেলা যুবলীগের সভাপতি এডভোকেট শাহানুর ইসলাম, সরাইল যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মোঃ মাহফুজ আলী ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের এইদিনে সরাইলের মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের কারনেই পাক বাহিনী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারও দেশের এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যথাযথ ভাবে মূল্যায়ণ করে যাচ্ছেন। স্বাধীনতার স্বপক্ষের এ সরকার দেশ প্রেমিকদের ভাতা বৃদ্ধি করেই থেমে যাননি, তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এমনকি নাতি নাতনিদের জন্যও সুযোগ সৃষ্টি করছেন। এ জন্যই শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বারবার দেশ পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়ার উদাত্ত আহবান জানান বক্তারা।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares