Main Menu

সরাইলে মহাষষ্ঠী দিয়েই শুরু হবে এবারের শারদীয় দূর্গোৎসব

+100%-

মোহাম্মদ মাসুদ, সরাইল ॥ আর বাকি মাত্র ৫ দিন। ৪ অক্টোবর মহাষষ্ঠী দিয়েই শুরু হবে এবারের শারদীয় দূর্গোৎসব। তাই শেষ মূহুর্তে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন সরাইলের মৃৎশিল্পীরা। এ বছর সরাইলের ৯টি ইউনিয়নে ৪৪ টি পুজা মন্ডপ তৈরী হচ্ছে। প্রস্তুতি সভা করে মন্ডপের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠ্যুভাবে পুজা সম্পন্ন করার সকল কাজ শেষ করেছেন পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন।

সরজমিনে জানা যায়, শেষ মূহুর্তে প্রতিমা তৈরী ও তুলির আঁচড়ে প্রতিমার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন মৃৎশিল্পীরা। এ কাজের জন্য উপজেলার বাহিরের শিল্পীও এনেছেন অনেকে। সরাইল উপজেলায় পানিশ্বর ও শাহবাজপুর ইউনিয়নের মৃৎশিল্পীরা একাজটি ভাল পারেন। এ ছাড়াও অনেকে পছন্দ করে নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রাম থেকে শিল্পী এনে কাজ করছেন। উপজেলার ৪৪ টি দূর্গামন্ডপে সাড়ম্বরে শারদীয় দূর্গাপুজার আয়োজন চলছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ শারদীয় এ দূর্গোৎসব চলবে পাঁচ দিন।

গত বুধবার সরকারি এক প্রজ্ঞাপনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে দুইদিনের পরিবর্তে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘোষণায় এখানকার কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও হিন্দু অভিভাবকরা বেশ উৎফুল্ল। এখানকার শপিংমল গুলোতে দিনেরাতে চলছে হিন্দু পরিবারের সকলের নতুন কাপড় ও জুতা ক্রয়ের ধূঁম। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার প্রতিমা তৈরীতে খরচ হচ্ছে বেশী। এক সাথে কাজ বেশী হওয়ায় মৃৎশিল্পীদের কদর ও মুজুরিও আকাশ ছোঁয়া। সরাইল উপজেলা পুঁজা উৎযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ঠাকুর ধন বলেন, প্রতিমা গুলোতে এখনো কাজ চলছে। এবার মন্ডব তৈরীর খরচ অন্যান্য বছরের রেকর্ডকে অতিক্রম করবে। সরাইল সদর ইউনিয়নের উচালিয়া পাড়া, কালিবাড়ি ও শাহবাজপুর দাস পাড়ার মন্ডব গুলোর মধ্যেই যেকোন একটি সর্ববৃহৎ হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম মোসা বলেন, আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে দুইজন কর্মকর্তাকে তদারকির জন্য টেক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছি। আগামীকাল (আজ) রবিবার থেকে পুঁজা মন্ডব গুলো আবারও পরিদর্শন করব।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares