Main Menu

সরাইলে ইকরাম হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

+100%-

মোহাম্মদ মাসুদ, সরাইল ॥ আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সরাইল –নাসিরনগর লাখাই সড়কের উপজেলার কালিকচ্ছ এলাকায় সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় মানববন্দন কারীরা সরাইল উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় প্রদক্ষিণ করে, এক পর্যায়ে থানায় উপস্থিত হয়ে ইকরাম হত্যাকারীদের বিচারের দাবী জানান ।
মানববন্ধনে বক্তারা নৃশংস এ হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানান। হত্যাকান্ডে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ফাঁসি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। তাতে সমাজে এ ধরনের অপরাধ আর কেউ করতে সাহস করবে না। এসব অপরাধের বিচার হলে অপরাধপ্রবণতা কমে আসবে। এই নির্মম ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের অবশ্যই ফাঁসি দিতে হবে । তা না হলে এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকবে।
নিহত ইকরামের ভাই মো. মনির বলেন, আমার ছোট ভাই ইকরামের হত্যা পরিকল্পনাকারী তারা ৫ জন হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেছে। তা না হলে এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকবে।

প্রসঙ্গত ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে খালাত বোনের বাড়ির খাটের নিচ থেকে ইকরামের(১৬) বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।গত রোববার (১১ আগষ্ট) সকালে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের বারজীবী পাড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সে ওই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে ও সরাইল সরকারি কলেজের প্রথম বর্র্ষের ছাত্র। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা শহিদুল ইসলাম সরাইল থানায় ৫জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলাদায়ের করে । এ মামলায় প্রথমে সাবেক মেম্বার নাজিম উদ্দিন ও তার ছোট বোন নাজমা বেগমকে আটক করে পুলিশ । পরে সরাইল সদর উপজেলার বড্ডাপাড়া গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে ইমরানুল হাসান সাদী(১৯) কেও আটক করে সরাইল থানা পুলিশ। সাদীকে জিজ্ঞাসা বাদ করলে সোমবার(১২ আগষ্ট) জুডিশিয়াল আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয় সে। আর এর মধ্যেই বেড়িয়ে আসে আসল রহস্য।
ইকরামকে তারা তিনজন খুন করে। ভাগিনা সাদী ইকরামের পা চেপে ধরে। সোহাগ দুই হাত চেপে ধরে রাখে, তখন শিমুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ইকরামের মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তারা লাশটি বস্তাবন্দি করে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ভোর হয়ে যাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
গত বোধবার (১৪ আগষ্ট) জেলার বিজয়নগর উপজেলা মনতলা থেকে শিমুল(২৮)ও তার ছোট ভাই সোহাগকে আটক কওে র‌্যাব ১৪ । তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড ছেয়ে আদালতে সোর্পদ করেন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares