Main Menu

সম্মানহীন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা

+100%-

গনমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা হতদরিদ্র বীরমুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর।সদর হাসপাতালে ভর্তি হলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা হচ্ছেনা।

তাকে নিয়ে ব্লগে বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত হচ্ছে, যা নিম্নে পাঠকদের সদয় অবগতির জন্য দেয়া হলো।

জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করলেও এখন জীবন যুদ্ধে অর্থের অভাবে হেরেই যাচ্ছেন অসহায়-দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর। বি.বাড়িয়া সদর হাসপাতালের চারতলার একটি কক্ষে তার হচ্ছে নাম মাত্র চিকিৎসা। তিনি বিপত্নীক এবং আপন বলতে তেমন কেউই নেই, স্ত্রী আর একমাত্র মেয়েও মারা গেছেন।। ফলাফলে চিকিৎসা বা যত্ন তার জন্য অতিকল্পনা।

এমনই অসহায় অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন সত্তরোর্ধ হতদরিদ্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর। প্রতিবেশির সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি হলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না। হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসকরা বিভিন্ন পরীক্ষা দিলেও অর্থাভাবে তা করতে পারছেন না।

গত সোমবার অজ্ঞান অবস্থায় প্রতিবেশি মহব্বত আলী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবরকে। চিকিৎসকরা ঢাকায় পাঠাতে বললেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হয়নি। সদর হাসপাতালের চিকিৎসক শ্যামলচন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া দরকার।’

এদিকে, এখন পর্যন্ত জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কর্মকর্তাদের কেউ খোঁজ নেয়নি তার। আলী আকবরের বাড়ি সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের তেলীনগর গ্রামে। তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নম্বর মুক্তি/ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্র: ৩/২৭/২০০২/৩৬৯৬।

তার মেয়ের জামাই হানিফ জানান, ডাক্তাররা জানিয়েছেন তার (আলী আকবর) অবস্থা খুব খারাপ। ঢাকা নিয়ে যেতে বলেছেন তারা। কিন্তু টাকার জন্যে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

দেশ দিয়ে যাওয়া মানুষগুলো কি বিনা চিকিৎসায় এই দেশের বুকে মরবে, আমরা চেষ্টাও করবো না তাকে বাঁচাবার? ধন্যবাদ বাংলাদেশ, তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আসফি আজাদ বলেছেন: আমার সামর্থ্যের মধ্যে ওনার পাশে দাড়াতে চাই। আশা করি কেউ সমন্বয়ের দায়িত্ব নেবেন। পোষ্টে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন: আমরা তাকে ঢাকায় নিয়ে আসছি

যাটিচুড বলেছেন: @সাইফুল ভাই আপনি বড় ব্যাক ডেটেড মানুষ –

এখন এসব পোষ্ট দেওয়া আর “গরম কালে কোট আর কম্বল পরে ঘুরে বেড়ানো একই ব্যাপার”

একটু আধুনিক হন – রাজাকারদের বিচার নিয়ে পোষ্ট দিন, পোষ্ট হিট হয়ে যাবে, চুচিলরা এসে মন্তব্য আর পরামর্শে ভরিয়ে দেবে আপনার পোষ্ট ।

লেখক বলেছেন: ব্যাক ডেটেড আর যাই হই না কেন মানুষ তো ভাই স্বীকার করলেন। তাতেই হল। চেষ্টা চালিয়ে যাই

জনাব মাহাবুব বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধারা এভাবেই লোকচক্ষুর আড়ালে অনাহারে, অর্ধাহারে, বিনা চিকিৎসায় জীবন পার করছে।

দিকভ্রান্ত*পথিক বলেছেন: কেউ কি দাঁড়াবে না মুক্তিযোদ্ধার পাশে? বিবাড়িয়ার ব্লগাররা অন্তত চেষ্টা করে দেখবেন না জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাথে যোগাযোগ করলেও কিছু একটা হতে পারতো, কিন্তু তার যে কেউ নেই। সামুরও স্বদিচ্ছা রয়েছে কিনা জানিনা, তাই আপনার পোস্টটি নির্বাচিত করে দায়িত্ব সেরেছেন তারা। কতো ধরনের কতো পোস্ট স্টিকি হয়, সংকলিত পোস্ট স্টিকি হয়ে থাকে মাসের পর মাস, অথচ অসহায় এই মুক্তিযোদ্ধার জন্য সবাই মিলে কিছু করার প্ল্যাটফর্মটিরও আজ অভাব। এই কষ্ট রাখার মতো স্থান কোন বাংলাদেশীর অন্তরে কি করে থাকে।

দিকভ্রান্ত*পথিক বলেছেন: আপডেট, আমরা চিন্তা করছিলাম কীভাবে তাকে বিবাড়ীয়া থেকে ঢাকায় নেয়া যায়, ইতোমধ্যে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেয়া হয়েছে। একজন ডাক্তার তার চিকিৎসার ব্য্যভার বহনে এগিয়ে এসেছেন। বাকীটা জানামাত্র ব্লগে জানাবো ইনশা আল্লাহ। সবাই এগিয়ে আসবেন আশা করি।








Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares