Main Menu

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মোহনা টেলিভিশনের ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপিত

+100%-

 

 

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদযাপিত হয়েছে মোহনা টেলিভিশনের ৩য় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান। সোমবার শহরের পূর্বপাইকপাড়ায় আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে মোহনা টেলিভিশন দর্শক ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আনন্দ আয়োজন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক নূর মোহাম্মদ মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান পিপিএম। সাবেক উপমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এডঃ হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসকাবের আহবায়ক সৈয়দ মিজানুর রেজা, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সহ সভাপতি নায়ার কবির, প্রেসকাবের সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন জামি, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের উপাধ্য ও মোহনা টিভি দর্শক ফোরামের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন বেপারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত, বাংলা ভিশনের জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক আশিকুল ইসলাম প্রমুখ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোহনা টেলিভিশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহজাদা। সভা পরিচালনা করেন আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক ও মোহনা টেলিভিশন দর্শক ফোরামের সদস্য পঙ্কজ কুমার দেব। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন মাওঃ আনোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, মোহনা টিভি হাটি হাটি পা পা করে তাদের তিনটি বছর অতিক্রম করেছে। বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রচারে  মোহনা’র ভূমিকা আরো প্রসারিত হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি মোহনার উত্তোরত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি। তিনি অনুষ্ঠানে আরো বলেন, আজকের যুব সমাজ নানা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। আমাদের সমাজের সকলের উচিত তাদের ভাল পথে ফিরিয়ে আনা। কারণ তারাই একদিন এদেশের নেতৃত্ব দেবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান পিপিএম বলেন, মোহনা অগ্রযাত্রা আরো প্রসারিত হওক। মোহনা হয়ে উঠুক দর্শকদের নন্দিত চ্যানেল। আমি এই চ্যানেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কেক কেটে দিনটির শুভ সূচনা করেন। পরে সঙ্গীত শিল্পী শতাব্দী রায়, আনিকা তাহসিন ও অয়ন্তী দাসের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares