Main Menu

আপত্তিজনক আচরণের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ

+100%-

প্রতিনিধি:  ইংরেজি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষকের বিরুদ্ধে আপত্তিজনক আচরণ, প্রাইভেট পড়তে ও সাজেশন নিতে বাধ্য করার অভিযোগে শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীরা আজ বুধবার দ্বিতীয়বারের মতো বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
বুধবার দুপুর একটার দিকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর ছাত্রীরা শহরের হালদারপাড়া এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মহিলা কলেজের সামনে এসে সমাবেশ করে।
এর আগে গত শনিবার তারা একই দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক হায়াৎ মাহমুদ রাসেল তার কাছে প্রাইভেট না পড়ার কারণে শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের সাথে আপত্তিজনক আচরণ করে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কম নম্বর ও ফেল করিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়। একই অভিযোগ করা হয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের খন্ডকালিন প্রভাষক এনামুর রশিদের বিরুদ্ধে। তাছাড়া ছাত্রীনিবাসের তত্ত্বাবধায়ক, ম্যাট্রন ও দারোয়ানও তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ আনা হয়। শিক্ষার্থীরা বলেন, এসব সমস্যার বিষয়ে তারা একাধিকবার কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোন ফল পায়নি। বারবার-ই তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানান।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া দ্বাদশ শ্রেণীর সংগীতা বণিক, সানিয়া আক্তার ও কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘রাসেল স্যার প্রাইভেট না পড়ার কারণে শ্রেণীকক্ষে আমাদের সঙ্গে অশোভন ও আপত্তিজনক আচরণ করেন। যারা তার কাছে প্রাইভেট পড়েন তাদেরকে তিনি পরীক্ষার আগে সাজেশন দেওয়ার নামে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। আর যারা প্রাইভেট না পড়েন তাদেরকে কম নম্বর দেন এবং ফেল করিয়ে দেন। আমরা এ ধরণের শিক্ষকের অপসারণ দাবি করছি’।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইংরেজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক হায়াৎ মাহমুদ রাসেল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা । আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। ছাত্রীরা কেন আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঈর্ষান্বিত হয়ে কেউ হয়তো আমার বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়ে ছাত্রীদের আন্দোলনে নামিয়েছে।
এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফুল্ল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘মেয়েদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ি পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares