Main Menu

দূর্ঘটনার স্মৃতি চোখ থেকে সরছে না

+100%-

গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০১১ শুক্রবার বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলায় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনার দৃশ্যগুলো এখনো চোখ থেকে সরছে না সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ও কেন্দ্রীয় ্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ সভাপতি মঈনউদ্দিন মইনের। ঘটনার পর থেকে তারা দুজন এখনো পর্যন্ত স্বাভাবিক হতে পারেনি। সময়ের প্রয়োজনে নেতাকর্মীদের জানাজায় অংশ নেয়াসহ তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের শান্ত্বনা দিলেও তাদের কান্নাই থামেনি। কারো সাথে কথা বলতে গেলে তারা কেঁদে ফেলছেন। মোকতাদির চৌধুরী তার কর্মীদের হারিয়ে তার সন্তানরা নেই বলেই বিলাপ করছেন। মঈনউদ্দিন মইন সুযোগ পেলেই নেতাকর্মীদের দূর্ঘটনায় কবলিত হওয়ার পর দূরাবস্থার কথা বর্ণনা করছেন। তার চোখ থেকে কোনো মতেই সরানো যাচ্ছে না নেতাকর্মীদের বিকৃত লাশ আর রক্তাক্ত রাজপথের ছবি। প্রিয় নেতাকর্মীদের লাশ যারা গাড়ি থেকে বের করা সহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনা পর্যন্ত পাশে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এমদাদুল হক চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল খালেক বাবুল,ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান বুলেট, যুবলীগ নেতা সৈয়দ তৌফিক, তানজীল বারী, মশিউর রহমান লিটন, মিজান আনসারী, সালাউদ্দিন সরকার, রাকীব আহমেদ সোহেল, সামসুল হক মিল্লাত, ছাত্রলীগ নেতা হাসান সারওয়ার, আকবর হোসেন লিটন, মাসুকুর রহমান হৃদয় কেউই স্বস্তিতে নেই। অনেকেই দূর্ঘটনার স্মৃতিকাতর হয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন.ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রলীগ নেতাদের মৃত্যুমিছিল -পালিত হচ্ছে শোক. টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেরার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১০ ছাত্রনেতাসহ চালকের সাথে মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম যুক্ত হয়েছে। তিনদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মৃত্যুবরণ করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ আলমগীর মিয়া। গতকাল রবিবার বিকেল ৪টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সে শহরের মধ্য মেড্ডা এলাকার প্রয়াত পুতুল নাচের শিল্পি রাজা হোসেনের ছেলে। রবিবার বিকেলে এ খবর পৌঁছলে মেড্ডা এলাকা সহ শহরে আবারও শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের লোকজনের আর্তচিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। পিতাহীন -ছোট ২ ভাই ও ১ বোনসহ মায়ের সংসারে আলমগীরই ছিল একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ছাত্র রাজনীতি করাকালে পিতার মৃত্যুর পর পারিবারিক দায়িত্ব পালনের জন্য কর্ম নিয়ে এক সময় দুবাই পাড়ি দেয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে এসেছিল আলমগীর। দিনরাত পরিশ্রম করে পছন্দের প্রার্থী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে নির্বাচিতও করেছিল। কিন্তু নেতার সাথে দীর্ঘদিন কাজ করতে আর পারল না। একমাত্র রোজগারী ছেলেকে হারিয়ে দু’ চোখে অন্ধকার দেখছেন তার মা। ছোট ২ ভাইকে মানুষ করা, ছোট বোনটিকে বিয়ে দেয়াসহ কে নেবে মায়ের দায়িত্ব, এই প্রশ্ন মাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে।”কাঁদছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ১১ ছাত্রনেতার মৃত্যু”>কাঁদছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ১১ ছাত্রনেতার মৃত্যু.”>শনিবার ভোর ৬টা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের ঘুম ভাঙে সাইরেনের শব্দে। লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন। লাশগুলো জেলার মেধাবী ১১ সন্তানের। লাশগুলো পৌঁছার পর দিনভর শোকে স্তব্ধ ছিল পুরো শহর। দলমত নির্বিশেষে সবার বুকে ছিল কালো>ব্যাজ। উড়েছে কালো পতাকা। দিনভর কেঁদেছে ্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সদর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সফরসঙ্গী হয়ে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে ফেরার পথে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর জেলারভাঙ্গা উপজেলার সলিলদিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হনব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১১ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী। গতকাল শনিবার দিনের বিভিন্ন সময় ১০ ছাত্রলীগ নেতার ানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দলমত নির্বিশেষেসর্বস্তরের মানুষ তাঁদের শেষ শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা জানানো হয়রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে। এদিকে বাকি একজনের (মোর্শেদ) লাশ ঢাকায় বারডেম হাসপাতালে রাখা হয়েছে। বড় দুই ভাই লন্ডন থেকে আসার পর তাঁর লাশ দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে ঘনিষ্ঠ কর্মীদের হারিয়ে তাঁদের জানাজায় দাঁড়িয়ে অঝোরে কেঁদেছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘ওরা ছিল আমার সন্তান। ওদের মৃত্যু সারাজীবন আমাকে তাড়িয়ে বেড়াবে। আমার সঙ্গে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েই ওদের মৃত্যু হয়েছে। আপনারা আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। দোয়া করবেন আমার সন্তানদের জন্য।’

গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা ঈদগাহ ময়দানে নিহত ১১ জনের মধ্যে ৯ জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, আলহাজ শাহ আলম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন আল রশিদ, সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান, পুলিশ সুপার জামিল আহমেদ, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, বর্তমান সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানাজার আগে প্রতিমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একসঙ্গে ১১ ছাত্রনেতাকে হারিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আমার তাঁদের বিদেহী আÍার মাগফিরাত কামনা করি ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।’

পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার নিহতদের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা বিএনপি, জেলা জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নিহতদের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পরে নিহত শাহজাহান রহমতউল্লাহ রুমেল ও হাফেজ আবদুল্লাহ মাসুদ তানভীরের লাশ পৌর এলাকার শেরপুর কবরস্থানে, আরিফুল ইসলাম বাবু ও জিয়াউল আমিন রিয়াদের লাশ উত্তর মৌড়াইল কবরস্থানে, শওকত হোসেন সরকার লিয়েনের লাশ মেড্ডা স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মেড্ডা কবরস্থানে, শেখ রায়হানের লাশ শিমরাইলকান্দি কবরস্থান মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে শিমরাইলকান্দি কবরস্থানে, এমরানুর রেজা এমরানের লাশ সুহিলপুর মাদ্রাসা মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে সুহিলপুর কবরস্থানে, মেহেদী আলম শান্তর লাশ ঘাটিয়ারা ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে ঘাটিয়ারা কবরস্থানে ও মিজানের লাশ সুলতানপুরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে জাঙ্গাল কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে নিহত ছাত্রনেতা নুরুল আসিফ চৌধুরীর জানাজা সরাইল উপজেলার দেওড়া ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে দেওড়া কবস্থানে তাঁর লাশ দাফন করা হয়। এখানেও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা জানাজায় শরিক হন।

গতকাল নিহতদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শোকের মাতম। শেখ রায়হান উদ্দিনের বাড়িতে প্রবেশ করতেই বোন রোজি আক্তার এ প্রতিবেদককে বলে ওঠেন, ‘ভাই আফনেরা কি রায়হানরে আইন্যা দিবেন, রায়হান কোনসম আইব, কী অইছে রায়হানের।’ এ সময় রায়হানের অন্য বোন ও মা হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন। নিহতদের মধ্যে মেহেদী আলম শান্ত, জিয়াউল আমিন রিয়াদ, শাহজাহান রহমতউল্লাহ রুমেল ছিলেন পরিবারের একমাত্র পুত্রসন্তান। ইমরানুল হক ইমরান ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁদের প্রত্যেকের বাড়িতেই ছিল শোকের মাতম। পরিবারের লোকজনকে সান্ত্বনা দিতে আসা অনেকের চোখেও ছিল পানি।

নিহত শাহজাহান রহমতউল্লাহ রুমেলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় কান্নার রোল। ছয় বোনের একমাত্র ভাই রুমেল। একমাত্র পুত্রসন্তানকে হারিয়ে বৃদ্ধা মা নির্বাক। রুমেলের ভগ্নিপতি আবু সাঈদ জানান, গত শুক্রবার বিকেল পৌনে ৪টায় ওর সঙ্গে আমার মোবাইল ফোনে শেষ কথা হয়। আমাকে বলে, ‘আপাকে বলবেন ভালো করে রান্না করে রাখতে। আপা রান্না করবে কিন্তু রুমেল আর কোনো দিন খেতে আসবে না।’

দুই বোন এক ভাইয়ের সংসারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী আলম শান্ত। বাবা শাহ আলম একজন ঠিকাদার। স্বপ্ন ছিল একমাত্র ছেলের ওপর ব্যবসার ভার দিয়ে দেবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে পরিবারটি এখন নির্বাক।

জিয়াউল আমিন রিয়াদের বাবা আয়কর উপদেষ্টা হেলাল উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি ছেলেকে বলতাম, বাবা তোমার রাজনীতির দরকার নেই। এলএলবি পাস করেছো, এখন পেশায় মনোযোগী হও। আমি যেতে বাধা দিব বলেই হয়তো সে আমাকে না বলে টুঙ্গিপাড়া যায়।’

নিহত আরিফুল ইসলাম বাবুর বাবা মুমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী দুই দিন পরেই ইংল্যান্ড ফিরে যাওয়ার কথা ছিল বাবুর। আমাকে দিয়ে কিছু কেনাকাটাও করায় ঢাকা থেকে। কিন্তু তার আর যাওয়া হলো না। বাবু মোকতাদির চৌধুরীর নির্বাচন উপলক্ষে দেশে আসে।’

ব্যাংকার মোবারক হোসেন সরকারের প্রথম ছেলে শওকত হোসেন সরকার লিয়েন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক অর্থবিষয়ক সম্পাদক। গতকাল দুপুরে লিয়েনের মেড্ডার বাসায় গিয়ে দেখা যায় স্বজনদের আহাজারি। তাঁর মা বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অর্থনীতি (সম্মান) তৃতীয় বর্ষের ছাত্র নিহত নুরুল আসিফ চৌধুরী। বাবা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নুরুল আকতার চৌধুরী পুত্রশোকে নির্বাক হয়ে পড়েছেন। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার বড় আসিফকে হারিয়ে অন্য দুই ভাই-বোন পাগলপ্রায় হয়ে পড়েছে।

নিহত মোর্শেদ আলমের বড় ভাই ব্যারিস্টার রায়হান আলম ও খোরশেদ আলম ইংল্যান্ডে বসবাসরত। তৃতীয় ভাই সাইফুল আলম যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। ইংল্যান্ড প্রবাসী ভাইদের ইচ্ছা ছিল মোর্শেদ ইংল্যান্ড চলে আসুক। শেষ পর্যন্ত মোর্শেদ রাজিও হয়েছিলেন। বলেছিলেন মোকতাদির চৌধুরীর নির্বাচন শেষে তিনি ইংল্যান্ড পাড়ি জমাবেন। নির্বাচন শেষ হয়েছে, কিন্তু তাঁর আর ইংল্যান্ড যাওয়া হলো না।

নিহত আবদুল্লাহ আল মাসুদ তানভীরের বাবা আবদুল আওয়াল বলেন, তাঁর তিন পুত্রের মধ্যে তানভীর সবার ছোট। সে কোরআনে হাফেজ। উপনির্বাচনে মোকতাদির চৌধুরীর প্রচার-প্রচারণায় রাত-দিন কাজ করেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে টুঙ্গিপাড়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। লাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছে সে।

এদিকে ছাত্রনেতাদের মৃত্যুতে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তিন দিনের ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সাত দিনের শোক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার শোক কর্মসূচির প্রথম দিনে শহরের সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লোকজন গতকাল কালো ব্যাজ ধারণ করে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares