Main Menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্র পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ

+100%-

Brahmanbaria_Madrasha Studentডেস্ক ২৪:: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার উত্তর সুহিলপুর উলুমে শরীয়াহ হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহ’র বিরুদ্ধে হেফজ বিভাগের এক শিশু ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
শনিবার (২৩ জানুয়ারি) অসুস্থ অবস্থায় নির্যাতনের শিকার ছাত্রটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
ওই ছাত্রের মা আসমা আক্তার (৩০) মামলায় অভিযোগ করেন, সদর উপজেলার বুধল বড়হাটির বাসিন্দা ইটভাটার শ্রমিক ইউসুফ মিয়ার বড় ছেলে উত্তর সুহিলপুর উলুমে শরীয়াহ হাফেজিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। গত সোমবার (১৮ জানুয়ারি) নানাভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহ তাকে বলাৎকার করেছে। প্রথমে তার ছেলে বিষয়টি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল জয়নাল আবেদীনকে জানায়। কিন্তু প্রিন্সিপাল জয়নাল শিশুটিকে ব্যথার ওষুধ খাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে মাদ্রাসা থেকে বের হতে দেয়নি। তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ওই শিশুটিকে সুকৌশলে মাদ্রাসায় আটকে রাখেন।
পরে গত শুক্রবার অভিযুক্ত শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহ চলে যাবার পর ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে উত্তর সুহিলপুর গ্রামে তার নানার বাড়িতে এসে নানীকে বিষয়টি জানায়। শরীরে প্রচণ্ড ব্যাথার কারণে শনিবার তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জেলা সদর হাসপাতালে শিশুটির নানী নেহারা বেগম বলেন, আমার নাতি বাড়িতে এসে বিষয়টি জানালে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে কর্তব্যরত সেবিকা সাহিদা আক্তার জানান, সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম শিশুটিকে দেখেছেন। তার চিকিৎসায় কমিটি করা হচ্ছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ি চিকিৎসা চলবে।
শিশুটির দাদা মো. ইসমাইল মিয়া বলেন, এর আগেও এই মাদ্রাসায় আরও তিন ছাত্রকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে এ ধরনের কাজ করেছে ওই শিক্ষক। কিন্তু প্রিন্সিপাল এসবের বিচার না করে উল্টো ধামাচাপা দেয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈনুর রহমান মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ পেয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের সাথে কথা হয়েছে। শিক্ষক খালেদ সাইফুল্লাহকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।






Shares