Main Menu

কূলকিনারা হয়নি বুধলের রায়হান বেগম হত্যাকান্ডের, আসামীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

+100%-

হত্যাকান্ডের ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের বুধল বড়হাটি গ্রামের গৃহবধূ রায়হান হত্যাকান্ডের কোন কূল কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি এ মামলার কোন আসামীকে পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয়নি। স্বজনদের দাবি দ্রুত এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচনের।
গত ৮ জুন খুন হয় গৃহবধূ রায়হান। এর দুই দিন পর নিহতের ছোট ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজহার থেকে জানা যায়, প্রায় ২৮ বছর আগে বুধল গ্রামের মৃত আঃ সহিদের মেয়ে রায়হান বেগমের সাথে একই গ্রামের মৃত বালি মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমানের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ৮টি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই আব্দুর রহমার যৌতুকের জন্য রায়হান বেগমকে শারীরিক নির্যাতন করতো। বোনের সংসার টিকিয়ে রাখতে বাবার মৃত্যুর পর ভাইয়েরাও নানান সময় টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতো। সবশেষ গত ৮ তারিখ ৫ লক্ষ টাকার জন্য রায়হানের উপর চাপ প্রয়োগ করে রহমান। রায়হান টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করলে রহমান ও তার চাচাতো ভাই আবুল খায়ের ও আঃ সালাম পরিকল্পিতভাবে বটি(দা) দিয়ে রায়হানের গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রায়হানকে মৃত ঘোষণা করে। মর্মান্তিক এ হত্যাকান্ডের পর থেকে বুধল গ্রামে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে দীর্ঘ সময়েও আসামীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকায় নিহতদের স্বজনদের মধ্য উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। মামলার বাদী সিরাজুল ইসলাম বলেন, রহস্যজনক কারণে পুলিশ প্রথমে আমাদের মামলা নেয়নি। নানা টাল বাহানার দুই দিন পর ১০ জুন আমাদের মামলা নেয় পুলিশ। কিন্তু এরপর পুলিশকে নানা সময় আসামীদের লুকিয়ে থাকার অবস্থান জানালেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমরা চাই দ্রুত আমাদের বোনের হত্যাকারীরা আইনের আওতায় আসুক। আমরা ন্যায় বিচার চাই।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার উপ পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, ঘটনার পর থেকে আমরা আসামীদের অবস্থান জানতে মোবাইল ট্র্যাকিং করছি। তবে এখন পর্যন্ত আমরা কোন আসামীর অবস্থান জানতে পারিনি। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।






Shares