Main Menu

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা সারা বিশ্বে প্রসংশনীয় হয়েছে-অ্যাড. ফজিলাতুন নেসা বাপ্পী এমপি

+100%-

সংসদ সদস্য অ্যাড. ফজিলাতুন নেসা বাপ্পী বলেছেন বর্তমান সরকার সারাদেশে মানবাধিকার সংরক্ষণে কার্যকরী ভ’মিকা পালন করছে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে নির্যাতিত নিপীড়িতদের জন্য যে ভূমিকা রেখেছেন তা সারা বিশ্বে প্রসংশনীয় হয়েছে। তিনি মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ কর্মীদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করার আহবান জানান।
গত শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানবাধিকার আঞ্চলিক সম্মেলন ২০১৭ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহবান জানান। বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্থানীয় টেংকের পাড়স্থ পৌর কমিউনিটি সেন্টারে এ সম্মেলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা সহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানবাধিকার কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান,পুলিশ সুপার এডিশনাল ডিআইজি মোঃ মিজানুর রহমান পিপিএম বার, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঢাকা মহানগরের গভর্ণর সিকান্দার আলী জাহিদ, সদর দপ্তরের ডেপুটি গভর্ণর এম.এ সোহেল আহমেদ মৃধা, সৌদি আরব শাখার প্রতিনিধি এম.ওয়াই আলাউদ্দিন,জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাড.সারওয়ার-ই-আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড সফিউল আলম লিটন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি ডা. মো. আবু সাঈদ। সম্মেলনের সমন্বয়ক ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোহাম্মদ লোকমান হোসেন।মানবাধিকার বিষয়ক কর্মসূচী ঘোষণা করেন অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম,অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক আল আমীন শাহীন। সম্মেলনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য সমাজসেবায় সাবেক উপমন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অ্যাড.হুমায়ূন কবীর, আইন পেশায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট হামিদুর রহমান, শিক্ষায় অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম,প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে অবদান রাখায় হেদায়েতুল আজিজ মুন্নাকে সম্মাননা দেয়া হয়।
এ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন,আঞ্চলিক মানবাধিকার বিষয়ক কর্মসূচী প্রণয়ণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares