Main Menu

দিল্লীতে নির্বিচারে মুসলিম হত্যা, মসজিদে আগুন ও মোদিকে অবাঞ্ছিত করার দাবিতে শুক্রবার বিক্ষোভ-মানববন্ধন

+100%-

ভারতের দিল্লিতে নির্বিচারে মুসলিম হত্যা, মসজিদ ও বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ, সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে এবং মুজিববর্ষে মোদিকে বাংলাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবিতে শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর আড়াইটায় পৌর মুক্ত মঞ্চে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

উল্রেখ্য, টানা পাঁচ দিন ধরে দিল্লিতে চলছে হিন্দুত্ববাদীদের তাণ্ডব। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এই সহিংসতা। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে। বুধবার গভীর রাতে উত্তর-পূর্ব দিল্লির ভজনপুর, মৌজপুর কারায়াল নগরে নতুন করে সহিংসতা হয়েছে।

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ঘিরে বিক্ষোভ নিয়ে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে মুসলিমবিদ্বেষী ঘৃণাবাদী বক্তব্য দেন বিজেপি নেতারা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথসহ বহু নেতা ঘৃণাবাদী বক্তব্য দেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার সহিংসতায় উসকানি ছড়ান দিল্লির বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র। এরপরই দিল্লির পূর্ব অংশে শুরু হয় নজিরবিহীন সহিংসতা। বুধবার পর্যন্ত এই সহিংসতায় নিহত হয় ২৭ জন।

দিল্লির ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক অতুল গর্গ জানিয়েছেন, সহিংসতাকবলিত এলাকা থেকে বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত তারা ১৯টি কল পেয়েছেন। এসব কলে সাড়া দিতে একশ’রও বেশি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সহিংসতা-কবলিত এলাকার গুরু ত্যাগ বাহাদুর হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট সুনীল কুমার গৌতম জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনের সহিংসতায় তাদের হাসপাতালেই নিহত হয়েছে ৩০ জন। সামগ্রিকভাবে এই সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৩৪ জন।

দিল্লি নারী কমিশনের প্রধান সাথী মালিওয়াল জানিয়েছেন, গোকুলপুরিতে তাদের একটি কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুড়ে যাওয়া কার্যালয়ের ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি।