Main Menu

করোনা টেস্ট নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্ট অসত্য ও কল্পনা প্রসূত_ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ

+100%-

একটি জাতীয় দৈনিকে” প্রতারনার ফাঁদ “রূপপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া”” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলেনে এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ও পিসিআর ল্যাব ইনচার্জ অধ্যাপক ডাক্তার জাকিউর রহমান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, করোনা মহামারিতে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট এই করোনা হাসসপাতাল ও পিসিআর ল্যাবটি নিরবিচ্ছিন্নভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে আমাদের প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ডাক্তার মোঃ আবু সাঈদের সম্পর্কে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে তার সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। যা উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করা হয়, গত ০৬ জুলাই পাবনার জেলার রূপপুরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে ৫০টি স্যাম্পল করোনা পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসে। এনালাইসিস ও পরীক্ষার মাধ্যমে ১১টি পজিটিভ ও ৩৯ টি নেগেটিভ রিপোর্ট দেয়া হয়। যা ইমেলের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, চট্রগ্রাম বিভাগীর কার্যালয়, পাবনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিভিল সার্জন অফিসে নিয়ম মাফিক প্রেরণ করা হয়। এসব পরীক্ষার এনালাইসিসসহ রিপোর্ট গ্রাফ পিসিআর মেশিনের মেমোরিতে সংরক্ষিত রয়েছে। তদন্ত না করেই একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া তদন্তের আগেই বর্ণিত মিথ্যা মামলার বিষয়ে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সুনাম ক্ষুন্ন করতে বর্তমান প্রতিষ্ঠানটিতে তালা ঝুলছে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অর্থ হাতিয়ে নিয়ে প্রতারনা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় যা সম্পূর্ণ অসত্য বানোয়াট ও কল্পনা প্রসূত। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ অব: বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শফিকুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজার আছাদুল্লাহ মিয়া, ল্যাব ইনচার্জ এস.এম জুনায়েদ ইসলামসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে চাকরি করতে হলে করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ সার্টিফিকেট জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। এ সুযোগে গত ৬ই জুলাই রূপপুরের মেডিকেয়ার নামের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক অনুমতি না নিয়েই নমুনা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ থেকে পরীক্ষা করায়। পরে ৮ই জুলাই রাতে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে এবং মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী আবদুল ওহাব রানাকে গ্রেপ্তার করে। মামলায় রানা ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. আবু সাঈদ ও রানার সহযোগী সুজন আহমেদকে আসামি করা হয়।