Main Menu

ভারতে বিয়ে করতে গিয়ে ওমান ও কাতারের শেখরা কারাগারে

+100%-

বিবিসি বাংলা:: ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরের পুলিশ ওমান ও কাতারের আট জন শেখ ও তিন জন কাজি সহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করার পরে শিশু বিবাহের একটি বড় চক্র ধরা পড়েছে।

পুলিশ বলছে, প্রায় এক মাস ধরে নজরদারি আর তথ্য প্রমাণ যোগাড় করে তারা এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে।

ভারতে এসে শিশু কন্যাদের বিয়ে করে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ওমান ও কাতারের শেখরা।

হায়দ্রাবাদের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভি সত্যানারায়না বিবিসি বাংলাকে বলছেন, “কমবয়সী মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হতো জাল নিকাহনামা তৈরি করে। তারপরে বিভিন্ন আরব দেশে নিয়ে গিয়ে এই মেয়েদের ৯৯ শতাংশকেই যৌন দাসী হিসাবে ব্যবহার করা হতো। বাকি কয়েকজনকে ঘরের কাজে লাগানো হত।”

জাল নিকাহনামা তৈরি ও চুক্তি বিবাহ প্রথা নামের এই কাজে সাহায্য করত এমন তিনজন কাজিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, ওমান ও কাতারের যে শেখরা ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে এক ৮০ বছর বয়সী ব্যক্তিও আছেন, যিনি লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটেন।

ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কম বয়সী ভারতীয় কোনও মেয়েকে বিয়ে করে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে সে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে তিন সপ্তাহের জন্য বিয়ে করে নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।

চন্দ্রায়নগুট্টা এলাকার একটি গেস্ট হাউসে পুলিশ যখন তল্লাশি চালায়, সেই সময়ে ৭০ বছর বয়সী এক ওমানি নাগরিকের সঙ্গে ১৫ বছর বয়সী একটি মেয়ের বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।

ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরের পুলিশ ওমান ও কাতারের আট জন শেখ ও তিন জন কাজি সহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করার পরে শিশু বিবাহের একটি বড় চক্র ধরা পড়েছে।

পুলিশ বলছে, প্রায় এক মাস ধরে নজরদারি আর তথ্য প্রমাণ যোগাড় করে তারা এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে।

ভারতে এসে শিশু কন্যাদের বিয়ে করে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ওমান ও কাতারের শেখরা।

হায়দ্রাবাদের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভি সত্যানারায়না বিবিসি বাংলাকে বলছেন, “কমবয়সী মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হতো জাল নিকাহনামা তৈরি করে। তারপরে বিভিন্ন আরব দেশে নিয়ে গিয়ে এই মেয়েদের ৯৯ শতাংশকেই যৌন দাসী হিসাবে ব্যবহার করা হতো। বাকি কয়েকজনকে ঘরের কাজে লাগানো হত।”

জাল নিকাহনামা তৈরি ও চুক্তি বিবাহ প্রথা নামের এই কাজে সাহায্য করত এমন তিনজন কাজিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, ওমান ও কাতারের যে শেখরা ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে এক ৮০ বছর বয়সী ব্যক্তিও আছেন, যিনি লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটেন।

ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কম বয়সী ভারতীয় কোনও মেয়েকে বিয়ে করে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে সে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে তিন সপ্তাহের জন্য বিয়ে করে নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।

চন্দ্রায়নগুট্টা এলাকার একটি গেস্ট হাউসে পুলিশ যখন তল্লাশি চালায়, সেই সময়ে ৭০ বছর বয়সী এক ওমানি নাগরিকের সঙ্গে ১৫ বছর বয়সী একটি মেয়ের বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares